অস্ত্র-কাণ্ডে মন্ত্রিত্ব গেল ইশরাকের
অস্ত্র-কাণ্ডে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা ইশরাকের
Banglajibon.com – অস ত র ক ণ ড মন - গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র হাতে অংশ নেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেই স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন, যাতে তাঁর কারণে সরকার বা দল বিব্রত না হয়।
জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক জানান, তিনি মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। বিএনপি চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করতেও প্রস্তুত বলে জানান তিনি। তাঁর সংবাদ সম্মেলনে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে পরিবেশ অনেকটা সমাবেশের রূপ নেয়।
গেন্ডারিয়ার অভিযানের ভিডিও ঘিরে বিতর্ক
গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় রেললাইনের পাশের এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে যান ইশরাক। পরে তাঁর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে তাঁকে অস্ত্র হাতে দেখা যায়। সঙ্গে থাকা আরও একজনের হাতেও অস্ত্র দেখা গেছে। অন্য একটি ভিডিওতে কয়েকজনকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশের সঙ্গে নিয়ে যেতে দেখা যায়।
অস্ত্র-কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠলে ইশরাক দাবি করেন, নিজের নিরাপত্তার জন্য তিনি লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র সঙ্গে নিয়েছিলেন। তাঁর ভাষ্য, এলাকায় ঢোকার পর কয়েকজনকে ছোটাছুটি করতে দেখে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কায় অস্ত্র হাতে নেন। তিনি বলেন, অভিযানের লক্ষ্য ছিল মাদক নির্মূল; জমি দখল বা চাঁদাবাজি নয়।
“আমার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য একটি আগ্নেয়াস্ত্র সঙ্গে ছিল। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কা থেকে আমি আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নিয়েছিলাম।”
মাদক বিক্রির অভিযোগ ও তদন্তের কথা
ইশরাকের দাবি, গুমটিঘর ও মুন্সিরটেক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচা চলছিল এবং স্থানীয় বাসিন্দারা এ বিষয়ে অভিযোগ করে আসছিলেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর স্থানীয় থানা-পুলিশের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন এবং গুমটিঘরে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশকে নিয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় ১৭ অক্টোবর অভিযান চালানো হয় এবং অভিযানের আগে পুলিশকে জানানো হয়েছিল। বিস্তারিত তথ্য আগে জানালে তা ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
ইশরাক বলেন, অভিযানের সময় কয়েকটি বাড়িতে পুলিশের উপস্থিতিতে ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোনভর্তি একটি স্কুলব্যাগ, প্রায় ৩০০ গ্রাম হেরোইন, কয়েক বোতল মদ ও দেশীয় অস্ত্র পাওয়া যায়। এসবের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা সেখানে থাকা ব্যক্তিরা দিতে পারেননি বলেও তাঁর দাবি।
অস্ত্র-কাণ্ড নিয়ে যেসব প্রশ্ন উঠেছে
ঘটনাটি কি তদন্ত হচ্ছে?
ডিএমপির ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে ঘটনাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তে আইনের কোনো ব্যত্যয় পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইশরাক কেন পদ ছাড়লেন?
ইশরাকের ভাষ্য, তাঁর কারণে প্রধানমন্ত্রীর কাজ বা দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হোক—এটি তিনি চান না। এ কারণেই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন।
অভিযানে অস্ত্র বহনের বিষয়ে তাঁর ব্যাখ্যা কী?
তিনি বলেছেন, অস্ত্রটি বৈধ ও লাইসেন্স করা ছিল এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় সেটি হাতে নিয়েছিলেন। অস্ত্র-কাণ্ডের আইনগত দিক তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is অস ত র ক ণ ড মন?অস ত র ক ণ ড মন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does অস ত র ক ণ ড মন matter?অস ত র ক ণ ড মন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.