Islam

মায়ের মর্যাদা ও সন্তানের দায়িত্ব

মায়ের মর্যাদা ও সন্তানের দায়িত্ব

মার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা

ম য় র মর য দ ও – পৃথিবীতে নিঃস্বার্থ, নির্ভরযোগ্য এবং অকৃত্রিম ভালোবাসার অপর নাম হলো ‘মা’। যখন কোনো মানুষ প্রথম আলো দেখে, তখন তার প্রথম আশ্রয় হল মা। এ নিদারুণ ভালোবাসা তার নিষ্পাপ চেহারার দিকে তাকিয়ে একটি ক্ষণে নিজের সমস্যাগুলো ভুলে যাওয়ার সার্থকতা ঘটায়।

মাতৃত্বের আল্লাহর মহিমা

মাতৃত্ব হলো নারীর প্রকৃত অহংকার বা স্বাধীনতা কিন্তু এটি সর্বোচ্চ নির্ভরযোগ্যতার প্রতীক। গর্ভ ধারণ ও প্রসবের কঠিন যন্ত্রণা সহ্য করার দ্বারা মায়ের বিরাট অনুগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। ইসলাম এই আখিরাতে জান্নাত লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মায়ের প্রতি সদাচরণের আহ্বান জানানোর মাধ্যমে।

একজন গর্ভবতী নারী সমস্যার মধ্যে দীর্ঘ ৯ মাস সময় পার করেন। কষ্টের পর কষ্ট বরণ করে সন্তান জন্ম দেওয়ার মাধ্যমে তার সব কষ্ট ভুলে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

অবাধ্যতা হারাম করা হয়েছে

রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা মায়ের অবাধ্য হওয়াকে তোমাদের জন্য হারাম করে দিয়েছেন।’ (সহিহ মুসলিম: ৪৫৮০) মায়ের সম্মান সুন্দর ভাবে সংরক্ষণের জন্য মুসলিমদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন মহান আল্লাহ।

ইসলামে মায়ের অবহেলা করা এবং তাঁর অবাধ্য হওয়া কঠোরভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।

কোরআনের বিশেষ নির্দেশ

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আমরা মানুষকে তার মা-বাবার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছি। মা তাকে কষ্টের পর কষ্ট বরণ করে গর্ভে ধারণ করেন, আর তার দুধ ছাড়ানো হয় দুই বছরে। সুতরাং আমার প্রতি ও তোমার মা-বাবার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। আমারই কাছে তো ফিরতে হবে।’ (সুরা লোকমান: ১৪)

সুরা আহকাফের ১৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা মায়ের গর্ভধারণ ও দুধপানের সময়কালকে ‘ত্রিশ মাস’ উল্লেখ করেছেন। এ হলো মায়ের সীমাহীন ত্যাগের প্রতি সন্তানের কৃতজ্ঞতার নির্দেশ।

জান্নাতের বিশেষ উপায়

মায়ের সেবা হলো মুমিনের জন্য জান্নাত লাভের সবচেয়ে সহজ উপায়। হজরত মুআবিয়া ইবনে জাহিমা আসসালামি (রা.) রাসুল (সা.)-এর কাছে জিহাদে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করার সময় রাসুল তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, ‘তোমার মা কি বে�

Leave a Comment