শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগের দাবি এবং ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন
শ ক ষ মন ত র র – নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে সাবান সমাবেশ করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানায়। এই আন্দোলনে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, সরকারকে আগামী সাত দিন সময় দিয়ে পদত্যাগ ঘটনা মানতে বাধ্য করার জন্য হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। দাবি মানা না হলে দেশজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হবে বলে জানানো হয়।
তীব্র আন্দোলনের প্রেক্ষিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যন্তর মন্তর এবং আশপাশের এলাকায় এক হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। আন্দোলনকারীদের মুখে ককরোচ বা তেলাপোকার মাস্ক দেখা যায় যা অনুষ্ঠানস্থলে প্রদান করা হয়। এ ছাড়া তাদের হাতে ভারতের জাতীয় পতাকা, সংবিধানের কপি ও ফুল দেখা যায়।
আন্দোলনকারীদের দাবি ও স্লোগান
আন্দোলনের পাশাপাশি ক্ষমতাসীন বিজেপির হিন্দু-মুসলিম রাজনৈতিক মুহিবর্তনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়। কিন্তু সিজেপির প্রধান অভিজিৎ দিপক বলেন, সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক মুহিবর্তন প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। তিনি দেশ, মহাত্মা গান্ধী এবং বি আর আম্বেদকরের নামে স্লোগান দেন।
‘আপনারা হয়তো আমাদের পোস্ট মুছে দিতে পারেন, কিন্তু এই মাঠ থেকে আমাদের মুছে ফেলতে পারবেন না।’
অভিজিৎ দিপক বলেন, তাঁর মা কেঁদেছিলেন কারাবাসের ভয়ে। তিনি আরও জানান, আজ থেকে এই আন্দোলন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুন করে সাজানোর সময় এসেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্দোলনের প্রতিরোধমূলক হেফাজতে সিজেপি নেতাদের আটক করা হয়।
অনলাইন আন্দোলনের প্রেক্ষিতে নাগরিকদের ওপর যাচাই না করে তথ্য ছড়িয়ে পড়া হয়েছে বলে জানায় দিল্লি পুলিশ। তারা বলেন, এফআইআর বা মামলা দায়ের খবর সম্পূর্ণ গুজব এবং ভিত্তিহীন। সংবাদ সম্মেলনে আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ‘দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু হলো এবং সাত দিনের মধ্যে পদত্যাগ না করলে আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে।’
সংঘাত এবং নেতৃত্ব
অসুস্থ বোধ করলে সমাবেশ সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সমাবেশে অংশ নেন লাদাখের পরিবেশ আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক, ম্যাগসাইসাই পুরস্কারজয়ী শিক্ষাবিদ এবং সিপিআই নেতৃবৃন্দ। সোনম ওয়াংচুক ভূয়সী প্রশংসা করেন যুবসমাজের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ।
