রাশিয়া কিংবা যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানেই থাকবে ইউরেনিয়াম: মোজতবা খামেনি
ইউরেনিয়াম বাইরে পাঠানো হবে না
র শ য় ক ব য ক – যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার সময়ে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেন। তিনি জানিয়েছেন যে ইরানে সংরক্ষিত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কোনো ভাবেই দেশের বাইরে পাঠানো হবে না। রয়টার্স বার্তা সংস্থার জারি করা তথ্য অনুসারে, সর্বোচ্চ নেতার এই নির্দেশনার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্যতম শর্ত বড় ধরনের প্রতিক্রমণ খেলেছে।
“সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কোনোভাবেই দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না, সর্বোচ্চ নেতার স্পষ্ট নির্দেশনা ও ইরানের সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার দাবি অনুযায়ী ইউরেনিয়াম সংরক্ষণ করা হবে।”
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন যে ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান শান্তি চুক্তিতে এটি বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত হবে। এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বাদ দেওয়া, তেহরানের প্রক্সি মিলিশিয়াদের অর্থায়ন ও অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা এবং তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করার ক্ষমতা ধ্বংস না করা পর্যন্ত তিনি যুদ্ধ সমাপ্ত ঘোষণা করবেন না।
পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের উপর আক্রমণ করছে
পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তৈরির অভিযোগ করে আসছে। তারা এটিকে পরমাণু অস্ত্র গোপন চেষ্টা হিসেবে দাবি করেছে। ইরান এ বিষয়ে অস্বীকৃতি প্রকাশ করেছে এবং পরমাণু কর্মসূচিকে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক বলে দাবি করে আসছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ চলছিল। বর্তমানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায
