যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের চুক্তির ১৪টি দফায় কী আছে, তেহরান কী ছাড় পেল
য ক তর ষ ট র ইর – যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান বুধবার তাদের মধ্যে স্বাক্ষর করা অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে এই সমঝোতার পরও ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন যে ইরান চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে ট্রাম্প এসব মন্তব্য ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে করেন।
ট্রাম্প বলেন, তেহরানের কাছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য নয়। অথচ এর আগে তিনি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি চুক্তি অমান্য করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর সামরিক জবাব দেবে। তিনি আশা করেন যে এই কূটনৈতিক উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাবে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়তা করবে। তবে তিনি বলেন যে সংঘাতে ফেরা নয়, বরং ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চলে।
আগামী ৬০ দিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য
দুই দেশের আলোচকেরা আগামী ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই সময়সূচি বাড়ানো যেতে পারে।
পয়েন্ত্রিশ দিনের মধ্যে নৌ অবরোধ অপসারণ
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত নৌ অবরোধ এবং বিঘ্ন অপসারণ শুরু করবে এবং ৩০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে তা প্রত্যাহার করবে। এই সময়ের মধ্যে জাহাজ চলাচল অবিলম্বে শুরু হবে।
বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তি নিশ্চিত করা হবে
ইরান নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করবে এবং এ জন্য কোনো ফি নেবে না। ইরান হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ প্রশাসন ও সামুদ্র
