Banglajibon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোকে কে কীভাবে দেখে—পিউ রিসার্চের জরিপ

Published Agustus 15, 2026 · Updated Agustus 15, 2026 · By Michael Davis - banglajibon.com

Foto : Michael Davis - banglajibon.com

পিউ রিসার্চের সাম্প্রতিক জরিপে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর মনোভাব বিশ্লেষণ

Banglajibon.com – দক ষ ণ এশ য় র প - বিশ্বখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার দক্ষিণ এশিয়ার চারটি রাষ্ট্র—বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার জনগণের পারস্পরিক মনোভাব নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ জরিপ পরিচালনা করেছে। এই জরিপের ফলাফল থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে, শ্রীলঙ্কাই একমাত্র দেশ যেখানে প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব নেতিবাচক মনোভাবের চেয়ে বেশি।

ভারতের ভাবমূর্তিতে বৈচিত্র্য

প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারতের প্রতি মনোভাবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়। শ্রীলঙ্কার জনগণের এক বিশাল অংশ—৭৯ শতাংশ—ভারতের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন। এমনকি ৬৩ শতাংশ শ্রীলঙ্কান ভারতকে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করেন।

শ্রীলঙ্কার ৭০ শতাংশ মানুষ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের ওপর আস্থা প্রকাশ করলেও বাংলাদেশের ৪২ শতাংশ এবং পাকিস্তানের মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ তাঁর প্রতি আস্থা দেখিয়েছেন।

বিপরীতভাবে, বাংলাদেশের ৪২ শতাংশ এবং পাকিস্তানের ৭ শতাংশ মানুষ ভারতের বিষয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখেন। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অধিকাংশ মানুষ ভারতকে তাদের দেশের সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

মোদির বৈশ্বিক ভূমিকা ও অন্যান্য দেশের প্রতি মনোভাব

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈশ্বিক ভূমিকার ক্ষেত্রেও একই ধারা দেখা গেছে। শ্রীলঙ্কার ৭০ শতাংশ মানুষ মোদির নেতৃত্বের ওপর আস্থা প্রকাশ করলেও বাংলাদেশের ৪২ শতাংশ এবং পাকিস্তানের মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ তাঁর প্রতি আস্থা দেখিয়েছেন।

পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বাংলাদেশের বেশ সুখ্যাতি রয়েছে। পাকিস্তানের ৬৬ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কার ৫৬ শতাংশ মানুষ বাংলাদেশকে ইতিবাচকভাবে দেখেন। অন্যদিকে, ভারতের এক-চতুর্থাংশ (২৫ শতাংশ) মানুষ বাংলাদেশের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন।

পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কার ৫৭ শতাংশ এবং বাংলাদেশের ৫৪ শতাংশ মানুষের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলেও ভারতে তা খুবই নগণ্য—মাত্র ৮ শতাংশ।

হুমকি ও গ্রহণযোগ্যতার চিত্র

ভারতের নাগরিকেরা নিজেদের দেশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে পাকিস্তানকেই চিহ্নিত করেছেন। অন্য তিনটি দেশেই শ্রীলঙ্কার গ্রহণযোগ্যতা বেশ ভালো। জরিপভুক্ত প্রতিটি দেশের প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ শ্রীলঙ্কাকে ইতিবাচকভাবে দেখেন এবং এক-তৃতীয়াংশ বা তারও কম মানুষ দেশটিকে নেতিবাচক চোখে দেখেন।

২০২৪ সালের জরিপের সাথে তুলনা

২০২৪ সালের জরিপের সাথে তুলনা করলে দেখা যায়, প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশে ভারতের জনপ্রিয়তা ১৫ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে (বর্তমানে ৪২ শতাংশ)। পক্ষান্তরে, শ্রীলঙ্কায় ভারতের জনপ্রিয়তা ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের জনপ্রিয়তা ৯ শতাংশ বাড়লেও ভারতে তা ১০ পয়েন্ট কমেছে। শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশে পাকিস্তানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। শ্রীলঙ্কানদের ৫৭ শতাংশ (২০২৪ সালে ছিল ৪৪ শতাংশ) এবং বাংলাদেশিদের ৫৪ শতাংশ (২০২৪ সালে ছিল ৪০ শতাংশ) এখন পাকিস্তানের প্রতি ইতিবাচক ধারণা রাখেন। তবে ভারতে চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো, সেখানে পাকিস্তানের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব সর্বনিম্ন পর্যায়গুলোর একটিতে নেমে এসেছে।

ধর্মীয় ও সামাজিক বিভাজন

ধর্মীয় বিভাজন: ভারতীয় মুসলিমদের মধ্যে পাকিস্তান (২১ শতাংশ) ও বাংলাদেশের (৪১ শতাংশ) প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ভারতীয় হিন্দুদের (যথাক্রমে ৬ শতাংশ ও ২৩ শতাংশ) চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি। তবে এতদসত্ত্বেও দুই-তৃতীয়াংশ ভারতীয় মুসলিম পাকিস্তানের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন।

অপরদিকে, বৌদ্ধসংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রীলঙ্কায় অন্য ধর্মাবলম্বীদের চেয়ে হিন্দুরা মোদির প্রতি বেশি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখেন।

শিক্ষা ও বয়সের প্রভাব

বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে যাদের অন্তত মাধ্যমিক শিক্ষা রয়েছে, তারা কম শিক্ষিতদের তুলনায় শ্রীলঙ্কা সম্পর্কে বেশি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। একইভাবে, ৩৫ বছরের কম বয়সী তরুণ শ্রীলঙ্কান ও ভারতীয়রা বয়স্কদের তুলনায় তাঁদের প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি বেশি ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন করেন।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is দক ষ ণ এশ য় র প?

দক ষ ণ এশ য় র প is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does দক ষ ণ এশ য় র প matter?

দক ষ ণ এশ য় র প matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.