উদ্বোধনী দিনই ডুবে গিয়েছিল উত্তর কোরিয়ার যুদ্ধজাহাজ, এক বছর পর ফের পানিতে
এক বছরের অপেক্ষার পর পানিতে ফিরল 'কাং কোন' — উত্তর কোরি০ার নৌশক্তির নতুন অধ্যাযের সূচনা
Banglajibon.com – উদ ব ধন দ নই ড ব - ২০২৫ সালের মে মাসে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পানিতে নামানোর মুহূর্তেই ডুবে যাওয়া একটি যুদ্ধজাহাজের গল্প আজ সম্পূর্ণ হয়েছে। উত্তর কোরি০া রোববার তাদের দ্বিতী০ আধুনিক গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্র০ার 'কাং কোন'-এর কমিশনিং অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে। গত বছরের সেই বিপর্যয়কর দুর্ঘটনার পর দেশটির সামরিক প্রতিরক্ষা কাঠামোর জন্য এটি এক উল্লেখযো০্য ঘুরে দাঁড়ানোর মুহূর্ত। নেতা কিম জং উন সেই সময় ঘটনাটিকে 'অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড' বলে অভিহিত করেছিলেন এবং জাহাজ নির্মাণে জড়িত কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
কিমের বক্তব্য: আত্মমর্যাদা ও দৃঢ় মনোবলের ফল
কমিশনিং অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে কিম জং উন জাহাজটির নামকরণের পটভূমি ব্যাখ্যা করে বলেন, এই যুদ্ধজাহাজের পানিতে প্রবেশ উত্তর কোরি০ার 'আত্মমর্যাদা, ইচ্ছাশক্তি এবং দৃঢ় মনোবলের' প্রত্যক্ষ ফল। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরি০ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এই বক্তব্য প্রকাশ করেছে।
এই পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম যুদ্ধজাহাজ উত্তর কোরি০ার শত্রুদের জন্য শক্তিশালী প্রতিরোধের বার্তা পাঠাবে।
কিমের এই দাবি মূলত তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক বক্তব্য নয়; এটি দেশটির দীর্ঘমেয়াদী নৌ-প্রতিরোধ নীতির একটি স্পষ্ট সংকেত। পূর্ব উপকূলে নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণের কাজ চলছে বলে তিনি জানান, যা সম্প্রসারিত নৌবহরের জাহাজ আশ্রয় দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে।
গত বছরের দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল
২০২৫ সালের মে মাসে কাং কোনকে পানিতে নামানোর সময় একটি যান্ত্রিক ত্রুটি জাহাজটির পেছনের অংশকে আগেভাগেই পানিতে ডুবিয়ে দেয়। ফলে জাহাজের কাঠামোর বহু অংশ চূর্ণভঙ্গ হয় এবং সামনের অংশটি নির্মাণ পথেই আটকে থাকে। কেসিএনএ সেই সময় এই তথ্য প্রকাশ করেছিল। ঘটনার এক দিন পর রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, প্রাথমিকভাবে আশঙ্কা করা হচ্ছিল ক্ষতি তার চেয়েও বেশি, কিন্তু প্রকৃত অবস্থা ততটা গুরুতর নয়। তবুও সেই দুর্ঘটনা উত্তর কোরি০ার সামরিক ইতিহাসে বিরল ধরনের একটি ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত হয়, বিশেষত যেহেতু দেশটি দীর্ঘকাল থেকেই তার সামরিক অগ্রগতিকে অভেদ্য হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে।
চোং হিউন শ্রেণি: উত্তর কোরি০ার বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ
কাং কোন চোং হিউন শ্রেণির দ্বিতী০ ডেস্ট্র০ার। প্রায় ৫ হাজার টন ওজনের এই জাহাজগুলো উত্তর কোরি০ার ইতিহাসে এখন পর্যন্ত নির্মিত সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ। শ্রেণির প্রথম জাহাজটি গত জুন মাসে কমিশন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে কিম বলেছিলেন, এটি দেশটির সামরিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যাযের সূচনা করেছে এবং নৌবাহিনীর '৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা স্থবিরতার অবসান ঘটিয়েছে।' রোববারের অনুষ্ঠানে তিনি একই ধরনের বক্তব্য পুনরাবৃত্তি করেন এবং কাং কোনের কমিশনিংকে নৌবাহিনীর সক্ষমতার জন্য 'এক ঐতিহাসিক ঘটনা' বলে আখ্যা দেন।
প্রতিদ্বন্দ্বী নৌবাহিনীর তুলনায় পিছিয়ে থাকা
দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরি০ার নৌবহর দক্ষিণ কোরি০া ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর তুলনায় উল্লেখযো০্যভাবে পিছিয়ে আছে। দক্ষিণ কোরি০া ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর অধীনে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন রয়েছে, যেগুলো অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা এবং শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সক্ষমতায় সজ্জিত। এই ব্যবধান পূরণের উদ্দেশ্যে কিম এখন নৌবাহিনীকে একটি 'পরমাণু অস্ত্রসজ্জিত বাহিনীতে' রূপান্তর করার পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছেন, যা দেশটির প্রতিপক্ষদের কার্যকরভাবে ঠেকাতে সক্ষম হবে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: ক্রুজার, সাবমেরিন ও ঘাঁটি সম্প্রসারণ
কিম দেশের জাহাজ নির্মাণ কারখানাগুলোকে প্রতি বছর দুটি নতুন সারফেস জাহাজ নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন। এর মধ্যে এমন ক্রুজারও থাকবে, যাদের আকার চোং হিউন শ্রেণির ডেস্ট্র০ারের প্রায় দ্বিগুণ হবে। এছাড়া উত্তর কোরি০া একটি বড় পারমাণবিক শক্তিচালিত অ্যাটাক সাবমেরিন নির্মাণের দাবি করেছে, যার আকার যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর অ্যাটাক সাবমেরিনগুলোর সমান হবে বলে জানানো হয়েছে। গত ডিসেম্বরে প্রকাশিত ছবিতে কিমকে একটি অভ্যন্তরীণ নির্মাণ স্থাপনে ওই সাবমেরিন পরিদর্শন করতে দেখা যায়।
আমরা আমাদের নৌবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছি। আমি আবারও আট মাস পর বিশ্বকে তা প্রমাণ করব।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্যে কিম সম্ভবত সাবমেরিন, ক্রুজার বা উভয়ের কথাই উল্লেখ করে থাকতে পারেন। আট মাসের সময়সীমা নির্দিষ্ট একটি মাইলস্টোনকে নির্দেশ করে, যা দেশটির সামরিক প্রচারণার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
কিমের মেয়ে জু এ-র উপস্থিতি: উত্তরাধিকারের ইঙ্গিত
কমিশনিং অনুষ্ঠানে কিমের সঙ্গে তার মেয়েও উপস্থিত ছিলেন, যার নাম জ
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is উদ ব ধন দ নই ড ব?উদ ব ধন দ নই ড ব is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does উদ ব ধন দ নই ড ব matter?উদ ব ধন দ নই ড ব matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.