International

আমাকে থামাতে হলে মেরে ফেলতে হবে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আমাকে থামাতে হলে মেরে ফেলতে হবে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আম ক থ ম ত হল ম – পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের স্বাক্ষর প্রাপ্তির পর দল প্রায় ভেঙে ভেঙে পড়েছে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থান ভেঙে না ফেলে রয়েছেন। তিনি বিদ্রোহীদের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছেন, বলেছেন যে দলের প্রতীক কোথাও যাবে না। যদি তাঁকে থামাতে চাও, তবে তাঁকে মেরে ফেলতে হবে বলে অভিহিত করেছেন।

আজ শনিবার কলকাতায় সংবাদ সম্মেলনে মমতা জানান যে তাঁর আগে হতে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পদত্যাগ করেছেন। দলত্যাগী বিধায়কদের কাছে তিনি বলেন, ‘আমি কখনো বিদ্রোহীদের সঙ্গে হাত মেলাব না।’ তাঁর দাবি, দলত্যাগীরা রাজনৈতিক চাপে প্রবল পরিস্থিতির মুখে পড়ে দল ছেড়েছে। তবে তৃণমূলের মূল আদর্শ বিজেপি-বিরোধী হওয়া বাধ্যতামূলক।

যাঁরা গতকাল তৃণমূলের অফিসে গিয়ে তালা ঝুলিয়েছেন, তাঁদের আমি বলতে চাই—আমরা ওই অফিসটি ভাড়া নিয়েছিলাম। ২০২৭ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত এটি আমাদের লিজে রয়েছে।

পূর্বের দিন শুক্রবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থকেরা কলকাতার মূল তৃণমূল কার্যালয় দখল করেছিলেন। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের দলত্যাগ প্রসঙ্গে মমতা জানান, তাঁর ছেলে তৃণমূল-বিরোধী শিবিরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। বিদ্রোহীদের বিশ্বাসঘাতক হিসেবে তিনি তাঁদের সমালোচনা করেন।

গত মে মাসে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূলে দলত্যাগের আওয়াজ শুরু হয়। কার্যত দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬০ জনের বেশি এবং ২০ জন লোকসভা সংসদ সদস্য মমতার নেতৃত্বাধীন মূল দল থেকে আলাদা হয়েছেন। চন্দ্রিমা তাঁর পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, মমতার প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা আজীবন থাকবে। কিন্তু পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থার সংকটে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

যেখানে কোনো বিশ্বাস নেই, কোনো আস্থা নেই, সেখানে কাজ করা সম্ভব নয়। সেই কারণেই আমরা পদত্যাগ করেছি।

মমতা তৃণমূলের মূল কার্যালয় হিসেবে কালীঘাটের বাসভবন নির্ধারণ করেছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে আগামী দিনগুলিতে স্বীকৃত প্রতীক দিয়ে দল থাকবে। দলীয় প্রতিপক্ষ এবং বিদ্রোহীদের প্রতি তিনি অবি�

Leave a Comment