Banglajibon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অনুষদে প্রথম হয়েও প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ ইবি শিক্ষার্থীর

Published Oktober 2, 2026 · Updated Oktober 2, 2026 · By Matthew Wilson - banglajibon.com

Foto : Matthew Wilson - banglajibon.com

অনুষদে প্রথম হয়েও প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক না পাওয়ার অভিযোগ ইবি শিক্ষার্থীর

Banglajibon.com – অন ষদ প রথম হয় ও প - অনুষদে প্রথম হয়েও প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদকের তালিকায় স্থান না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন। তাঁর দাবি, বিভাগ ও জীববিজ্ঞান অনুষদে সর্বোচ্চ ফল করলেও ফল প্রকাশে বিলম্ব এবং সেশনজটের কারণে তিনি পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হননি। প্রতিকার চেয়ে তিনি ১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন দিয়েছেন।

আবদুল্লাহ আল মামুন ফার্মেসি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি অনার্সে ৩.৯০ সিজিপিএ অর্জন করেছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এই ফল নিয়ে তিনি বিভাগে প্রথম হওয়ার পাশাপাশি জীববিজ্ঞান অনুষদেও শীর্ষস্থান লাভ করেন।

ফল প্রকাশে বিলম্বের অভিযোগ

শিক্ষার্থীর আবেদনে বলা হয়েছে, ফার্মেসি বিভাগের সেশনজট ও প্রশাসনিক জটিলতায় তাঁদের একাডেমিক কার্যক্রম নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগোয়নি। ২০২৫ সালের নভেম্বরে পরীক্ষা শুরু হয়ে ২০২৬ সালের এপ্রিলে শেষ হয় এবং পরে ফল প্রকাশ করা হয় বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

তাঁর দাবি, এই বিলম্ব শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। অন্যদিকে কয়েকটি বিভাগের ফল তুলনামূলকভাবে আগে প্রকাশ হওয়ায় সেসব বিভাগের কৃতী শিক্ষার্থীরা স্বর্ণপদকের জন্য বিবেচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। অনুষদে প্রথম হয়েও একই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়াকে তিনি অন্যায্য বলে মনে করছেন।

“বিভাগীয় সেশনজট বা প্রশাসনিক জটিলতার দায় শিক্ষার্থীদের ওপর বর্তানো উচিত নয়।”

লিখিত আবেদনে আবদুল্লাহ আল মামুন তাঁর ফলাফল, অনুষদভিত্তিক অবস্থান এবং ফল প্রকাশে বিলম্বের বিষয়টি বিবেচনা করে ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

ডিনের বক্তব্যে সালভিত্তিক নির্বাচনের ব্যাখ্যা

জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বাবলী সাবিনা আজহার জানান, স্বর্ণপদকের তালিকা তৈরিতে শিক্ষাবর্ষ নয়, নির্দিষ্ট বছরের সালভিত্তিক প্রথম স্থান অর্জনকারীদের বিবেচনা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের মধ্যে যারা সংশ্লিষ্ট বছরে প্রথম হয়েছেন, তারাই তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

“এখানে সেশনের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়নি। ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের মধ্যে যারা সংশ্লিষ্ট বছরে সালভিত্তিক প্রথম হয়েছেন, তাদেরই নির্বাচিত করা হয়েছে।”

ডিন আরও বলেন, আবদুল্লাহ আল মামুন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের হলেও তাঁর ফলাফল ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত হওয়ায় তিনি ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি। তবে শিক্ষার্থীর আবেদনে ফল প্রকাশের সময় ২০২৬ সালের এপ্রিল বলা হয়েছে। ফলে ফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট তারিখ এবং নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে স্পষ্টতা প্রয়োজন বলে বিষয়সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আবেদন

শিক্ষার্থীটি জানান, তিনি জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বাবলী সাবিনা আজহার এবং ফার্মেসি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাসুদ রানার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। অনুষদে প্রথম হয়েও স্বীকৃতি না পাওয়ার অভিযোগটি বর্তমান বাস্তবতায় পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ বলেন, তিনি এ বিষয়ে একটি চিঠি পেয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময় হওয়ায় আগে বিস্তারিত জেনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি।

“এ বিষয়ে আমি একটি চিঠি পেয়েছি। তবে আমি দায়িত্ব গ্রহণ করেছি মাত্র দুই দিন হলো। তাই বিষয়টি সম্পর্কে সঠিকভাবে জেনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলব।”

ফার্মেসি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাসুদ রানার বক্তব্য নেওয়ার জন্য দুই দিন ধরে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। প্রশাসনের পরবর্তী সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীর আবেদনটির কী সমাধান হয়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে।

প্রশ্নোত্তর

শিক্ষার্থীটির মূল অভিযোগ কী?

আবদুল্লাহ আল মামুনের অভিযোগ, বিভাগ ও অনুষদে সর্বোচ্চ ফল করলেও সেশনজট ও ফল প্রকাশে বিলম্বের কারণে তিনি প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদকের তালিকায় বিবেচিত হননি।

ডিন কেন তাঁকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার কথা বলেছেন?

ডিনের ভাষ্য, নির্বাচনে শিক্ষাবর্ষের বদলে নির্দিষ্ট বছরভিত্তিক প্রথম স্থান অর্জনকারীদের বিবেচনা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর ফল ২০২৬ সালে প্রকাশিত হওয়ায় তিনি নির্ধারিত তালিকার বাইরে পড়েছেন।

এখন কী হতে পারে?

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আবেদনটি যাচাই করে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করবে বলে ছাত্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন। ফল প্রকাশের সময়, নির্বাচনের নীতিমালা এবং শিক্ষার্থীর অনুষদভিত্তিক অবস্থান পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত হতে পারে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is অন ষদ প রথম হয় ও প?

অন ষদ প রথম হয় ও প is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does অন ষদ প রথম হয় ও প matter?

অন ষদ প রথম হয় ও প matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.