Business

অপরিকল্পিত স্থানান্তরের মাশুল দিচ্ছে চামড়াশিল্প

অপরিকল্পিত স্থানান্তরের প্রতিক্রিয়া

অপর কল প ত স থ ন – বাংলাদেশের চামড়াশিল্প খাত, দেশের মূল্যবান রপ্তানি ক্ষেত্রগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, অনুমানের মাত্রা অর্জন করেনি। আগে প্রত্যাশিত উন্নয়নের লক্ষ্য হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি কারখানা স্থানান্তরের মাধ্যমে আধুনিক পরিবেশবান্ধব শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা, কিন্তু বাস্তবে এই লক্ষ্য পূরণ হয়নি। অপরিকল্পিত প্রক্রিয়া এবং অবহেলার কারণে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান মাঝপথে হারিয়ে গেছে এবং খাতের বিকাশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।

মন্ত্রীর মতামত

ঈদুল আজহারের পরদিন গত শুক্রবার সাভারে বিসিক চামড়া শিল্পনগরী পরিদর্শন করার পর শিল্প, বাণিজ্য এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদি সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা করেন। তিনি জানান, স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল কারণ চামড়াশিল্পের পরিচালনায় উচ্চ মাত্রার বর্জ্য নির্মূল করার জন্য আধুনিক সুবিধা দরকার। কিন্তু বাস্তবায়ন সম্পূর্ণ পরিকল্পিত হয়নি।

“হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। কারণ উচ্চমাত্রার বর্জ্য উৎপন্ন হওয়া এ শিল্প এমন স্থানে পরিচালিত হওয়া প্রয়োজন, যেখানে আধুনিক বর্জ্য শোধনের সব সুবিধা রয়েছে। কিন্তু স্থানান্তর প্রক্রিয়া ছিল অপরিকল্পিত ও অবহেলাপূর্ণ।”

বর্তমান পরিস্থিতি

তিনি আরও বলেন, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যগুলো সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হলে খাতটি থেকে বছরে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব। তবে বর্তমানে সাভারে কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) দৈনিক পরিশোধন ক্ষমতা প্রায় ২৫ হাজার ঘনমিটার। যখন শিল্পের প্রতিদিন উৎপাদনে প্রায় ৪০-৫০ হাজার ঘনমিটার তরল বর্জ্য উৎপন্ন হয়।

সরকারের কার্যক্রম

সামগ্রিক অবস্থার বিপর্যয় মোকাবিলায় সরকার দুটি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। প্রথমত, সিইটিপিকে পরিকল্পিতভাবে দৈনিক ২৫ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য শোধন ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা এবং ক্রোমিয়াম পুনরুদ্ধার ব্যবস্থার উন্নয়ন। দ্বিতীয়ত, স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় ঝুলিয়ে পড়া ও ঋণ সংকটে দুর্বল হয়ে পড়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড

মন্ত্রী জানান, চামড়াশিল্পের পরিবেশগত মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছানোর জন্য সিইটিপিকে ইতালির সম্পৃ

Leave a Comment