জেসমিনের সাফল্যের পরিচয়
৩০ ম ন ট ১৩ ক জ – চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নেপচুন চা-বাগানে কাজ করেন জেসমিন আক্তার। তিনি ষষ্ঠ জাতীয় চা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত চা-পাতা চয়ন প্রতিযোগিতায় দেশের ১৭২টি নিবন্ধিত চা-বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেন। এই কৃতিত্বের জন্য তিনি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ চা-পাতা চয়নকারী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন তৃতীয় বার।
তিনি কেবল ৩০ মিনিটে সাড়ে ১২ কেজি চা-পাতা সংগ্রহ করে এই পদক লাভ করেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাড়ে ৯ কেজি পাতা সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। এ ছাড়া তিনি ২০২৫ সালে ২৫ হাজার ৬২১ কেজি চা-পাতা উত্তোলনের মাধ্যমে একটি বিশেষ রেকর্ড গড়েছেন।
কর্মসংস্থানের মূল্যায়ন
জেসমিন আক্তার বারো বছর বয়সে কুমিল্লা থেকে স্বামী আবদুল বারেকের সঙ্গে ফটিকছড়ির নেপচুন চা-বাগানে আসেন। সংসারের জন্য সম্ভাবনা তৈরি করতে স্বামীর সঙ্গে চা-বাগানে কাজ শুরু করেন। ধীরে ধীরে চা-গাছের পরিচর্যা ও পাতা বাছনার দক্ষতা অর্জন করেন। প্রায় চার দশকের নিরলস শ্রম, অভিজ্ঞতা ও ভালোবাসার ফলে তিনি আজ দেশের সেরা চা-পাতা চয়নকারীর স্বীকৃতি পেয়েছেন।
পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে জেসমিন আক্তার বলেন, “কখনো পুরস্কারের কথা চিন্তা করিনি। সংসারের জন্য কাজ করেছি। আবারও জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি পেয়ে খুব ভালো লাগছে।”
পুরস্কার পেয়ে কথা বলেন জেসমিন আক্তার
জেসমিনের পুরো পরিবার চা-শিল্পের সঙ্গে জড়িত। স্বামী, ছেলে, পুত্রবধূ, মেয়ে ও জামাইসহ পরিবারের আট সদস্য একই চা-বাগানে কাজ করেন। তবে তিনি আগামী প্রজন্মকে শিক্ষিত করে তাদের জন্য আরও উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে চান।
ইস্পাহানি গ্রুপের মালিকানাধীন নেপচুন চা-বাগানের ব্যবস্থাপক মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, “জেসমিন আক্তারের এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি বাংলাদেশের চা-শিল্পে কর্মরত লাখো শ্রমিকের পরিশ্রম, দক্ষতা ও সম্ভাবনার �
