২০ ক ম মহ সড়ক প
গাজীপুরের মহাসড়ক ও সড়ক সমস্যা
২০ ক ম মহ সড়ক প চ – গাজীপুরে মহাসড়কের একটি ২০ কিমি দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট অঞ্চলে পাঁচটি অবৈধ বাজার স্থাপন করা হয়েছে। এই বাজারগুলো মহাসড়কের ফুটপাত ও লেন দখল করে স্থাপিত হয়েছে। যানজট বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পথচারীদের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন মহাসড়কে যানবাহন চলাচলের সময় বাজার বসানোয় আটকে রয়েছে চলাচল ব্যবস্থা। এগুলো সরকারি কোনো জমি ছাড়া হাজার হাজার দোকানপাট বসিয়েছেন ইজারাদাররা। সেই কারণে বাজারগুলো মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের ভোগান্তি দিয়েছে।
বাজার স্থাপনের প্রক্রিয়া ও ইজারা ব্যবস্থা
বাজারগুলো সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ) এর জায়গায় স্থাপিত হয়েছে। এতে বাঘের বাজার ও গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি সহ অন্যান্য বাজার গড়ে তোলা হয়েছে। একটি বাজারে সরকারি কোনো জমি নেই। কিন্তু প্রতি বছর ইজারা দেয়া হচ্ছে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে। ইজারা ব্যবস্থার কারণে বাজারগুলো মহাসড়কে লেন দখল করে। এটি আইন অনুযায়ী কীভাবে সম্ভব? মহাসড়কে কিছু বাজার পরিচালনা করা হয়েছে কিন্তু সেগুলো নিয়ন্ত্রণ ছাড়া হয়েছে।
বাজারগুলো স্থাপনের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। কিন্তু মহাসড়ক দখলের কারণে গাজীপুর সাফারি পার্কের প্রধান ফটকের সামনে তীব্র যানজট ঘটছে। দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে অনেকে। এতে যানবাহন চলাচল অসম্ভব হয়ে গেছে। ইজারা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে কিন্তু এতে মহাসড়কে কী করে বাজার স্থাপন হয়েছে, তা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সংশয় রয়েছে। ইজারা দার পক্ষে সরকারি জমি বিষয়ে কোনো অনুমোদন ছাড়া সেগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
শ্রীপুরের বাসিন্দা মনোয়ার হোসেন বলেন, “২০ ক ম মহ সড়ক প চ গাজীপুরে মহাসড়কের এই অংশে বাজার স্থাপন করা হয়েছে। এতে সরকারি কোনো জমি নেই সত্ত্বেও ইজারা দেয়া হচ্ছে উপজেলা প্রশাসন মাধ্যমে। এটা আইন অনুযায়ী কীভাবে সম্ভব। আমরা বাজার দখলের কারণে মহাসড়ক সরু হয়ে গেছে। এতে চলাচল ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।”
মহাসড়কে বাজার বসানোর সমস্যা ও চাপ
মহাসড়ক দখলের সময় এই বাজারগুলো যাত্রীদের ঝুঁকি বৃদ্ধি করেছে। বাজার বসানোর ফলে যানজট গড়ে উঠেছে। গাজীপুরের এই অঞ্চলে যানবাহন চলাচলের সময় বাজার দখল করা হয়েছে। বাজারগুলো স্থাপনের কারণে মহাসড়কের ফুটপাত ও লেন সম্পূর্ণ অসম্ভব হ
