স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক আমরণ অনশনে নেমে পড়েছেন
স বতন ত র ইবত দ য় – স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষক-শিক্ষিকারা জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বেতন ছাড়ের দাবি জানানোর পর এখন দ্বিতীয় দিনে আমরণ অনশনে বসেছেন। তাঁরা রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি অনুসরণ করছেন।
অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক কল্যাণ কমিটির পক্ষ থেকে গতকাল রোববার সকালে অনুদান অবিলম্বে ছাড়ের দাবি জানানো হয়। কর্মসূচিতে আহ্বায়ক মাওলানা শামসুল হক আনছারী এবং সদস্যসচিব হাফেজ মাওলানা মুফতি আব্দুল হান্নান হোসেন সভাপতিত্ব ও সঞ্চালন করছিলেন। উপস্থিত ছিলেন মাওলানা শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, মো. গোলাম আজম, মাওলানা আব্দুর রহমান শাজাহান এবং অন্যান্য নেতারা।
প্রায় ১০ মাস পরেও কোনো শিক্ষকের বেতন ছাড় করা হয়নি। এ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীরা। এখন পর্যন্ত সরকার কোনো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাকে জাতীয়করণ বা এমপিওভুক্ত করেনি।
বক্তারা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণার পর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো জাতীয়করণের দাবি জানানো হয়েছে, কিন্তু এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।
১৯৭৮ সালের অধ্যাদেশের আওতায় প্রাথমিক স্তরে অনুমোদন পেয়েছে আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা। তারপর ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এসব মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৯৪ সালে শিক্ষকদের ভাতা শুরু হয় এবং ২০০১ সালে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে পাঠ্যপুস্তক ও উপবৃত্তি চালু হয়।
২০১৩ সালে সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ করলেও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে চাকরির নিরাপত্তা ও আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এ কর্মসূচির পর সকল ইবতেদায়ি মাদ্রাসার রেজিস্ট্রেশন পেয়েছে শিক্ষক সমিতি পক্ষ থেকে জাতীয়করণের দাবি জানানো হয়েছে।
