ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশু মোটাতাজা করতে রাজশাহীর দুর্গাপুরে স্টেরয়েড ও ব্রয়লার ফিডের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে, স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে
স ট রয় ড ও ব রয়ল – ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশু মোটাতাজা করতে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় স্টেরয়েড ও ব্রয়লার ফিডের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ব্যবহার দ্বারা খামারি ও ব্যবসায়ীরা হাড্ডিসার গরু ও ছাগলের মাংস প্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে গতিশীল করছেন। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, স্টেরয়েড ও ব্রয়লার ফিডের অতিরঞ্জনে পশুর মাংসে কিছু ক্ষতিকর প্রভাব ফলে আসছে যা মানব স্বাস্থ্যে ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। কারণ এই পদ্ধতিতে পশুদের দ্রুত ভারী হওয়ার জন্য স্টেরয়েড ও ব্রয়লার ফিড খাওয়ানো হচ্ছে যা স্বাভাবিক প্রোগ্রামের চেয়ে বেশি হারে চলছে।
অভিযোগ ও প্রক্রিয়া
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার অনেক খামারি ও ব্যবসায়ী ঈদের আগে কম দামে হাড্ডিসার পশু কিনে স্টেরয়েড ও ব্রয়লার ফিড খাওয়ানোর মাধ্যমে দ্রুত মোটাতাজা করেন। এ কাজে গ্রাম্য পশুচিকিৎসকদের সহযোগ পাচ্ছেন। ফলে গ্রামগুলোতে এসব চিকিৎসকের কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে যে কিছু গ্রাম্য চিকিৎসক চুক্তিভিত্তিক গরু মোটাতাজাকরণের জন্য ইনজেকশন এবং বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ করেন। তাঁরা দুই চারিটি পশু প্রতি স্টেরয়েড ও ব্রয়লার ফিড ব্যবহার করে যাতে পশুগুলো ঈদে সাজে সাজে হতে পারে।
এটি ব্যবহার করা হচ্ছে সাধারণত প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করে, যেহেতু স্টেরয়েড ও ব্রয়লার ফিড সাধারণ খামারের মাংস প্রাপ্তির সময়কালকে কমিয়ে দেয়। খামারি ও ব্যবসায়ীদের কাছে এই পদ্ধতির জন্য একটি মূল্যবান প্রক্রিয়া হিসেবে মন্যে নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু চিকিৎসকদের মতে এই গতিশীল প্রক্রিয়ার সাথে কিছু প্রতিকূল প্রভাব সম্ভব।
