Banglajibon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: নেপথ্যের কারণ জানাল পুলিশ

Published Agustus 12, 2026 · Updated Agustus 12, 2026 · By Jennifer Jones - banglajibon.com

Foto : Jennifer Jones - banglajibon.com

সিলেটে তিন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন: রংমিস্ত্রির স্বীকারোক্তি

Banglajibon.com – স ল ট ট র পল ম - সিলেট নগরীর রায়নগর এলাকায় এক ভয়ংকর ঘটনা ঘটেছে। প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের গৃহপরিচারিকা—এই তিনজনকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গৃহপরিচারিকার সাথে তর্কের জেরেই এই তিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে অভিযুক্ত রংমিস্ত্রি বাবুল মিয়াকে (৪০ বছর) তাঁর বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ইতিমধ্যে পুলিশের সামনে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।

সিলেট মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আজ সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে বাবুলকে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরে তাকে আটক করা হয়।

আমরা তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে তাকে আইডেন্টিফাই করেছি, পরে ধরেছি। সে আমাদের সামনে হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। তাকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে যাচ্ছি। রাতেও আবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হবে। পরে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওৗা হবে।

সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার সারোৗার মুর্শেদ শামীমও সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সাংবাদিকদের সাথে তিনি বাবুলের স্বীকারোক্তির বিষয়টি তুলে ধরেন।

হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ

বাবুল মিয়া নগরীর রায়নগরের রাজবাড়ী এলাকার আক্তার মিয়ার কলোনিতে বসবাস করেন। তিনি মৃত নূর মিয়া ওরফে নূর কবিরাজের ছেলে। রংমিস্ত্রির কাজ করতেন তিনি এবং বিবাহিত ছিলেন।

আজ সকালে সিলেট নগরীর রায়নগরের একটি বাসায় বৃদ্ধ স্বামী-স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ব্যক্তিরা হলেন বাসার মালিক আব্দুস সাত্তার (৯০ বছর), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬ বছর) ও তাঁদের গৃহপরিচারিকা তাহমিনা বেগম (২৫ বছর)। আব্দুস সাত্তার রায়নগরের নিজের বাসায়ই থাকতেন। এই দম্পত্তির চার সন্তানের মধ্যে দুজন লন্ডনে ও দুজন যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। নিহত আব্দুস সাত্তার সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের উপদেষ্টা ও সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সাবেক পরিচালক ছিলেন।

পুলিশ জানায়, বাবুল মিয়া কিছুদিন আগে ওই বাসায় রঙের কাজ করেছিলেন। সেই সুবাদে ওই বাসার গৃহপরিচারিকাকে তাঁর পছন্দ হয়েছিল। তখন ওই গৃহপরিচারিকার সাথে তাঁর হালকা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তিনি তাঁকে বাজে প্রস্তাব দেন। এ নিয়ে ওই গৃহপরিচারিকা তাঁকে গালিগালাজ করেন। পরে আজকে আবার তিনি ওই বাসায় যান। তখন তিনি তাঁকে গালাগালি করার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে কথা-কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে তিনি ওই গৃহপরিচারিকাকে একটি চাকু দিয়ে অনেকগুলো ছুরিকাঘাত করেন। বুকে, গলায়, ঘাড়ে ও পিঠে অনেকগুলো ছুরিকাঘাত করে তাঁকে মেরে ফেলেন।

গৃহপরিচারিকাকে যখন ছুরিকাঘাত করেন, তখন সুরাইয়া বেগম রান্নাঘরে ছিলেন। তিনি চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে দৌড়ে সেখানে যান। গিয়ে তাঁকে বাধা দিলে তাঁকেও মেরে ফেলেন। পরে বৃদ্ধ আব্দুস সাত্তারকে ড্রইং রুমে মেরে তারপর তিনি পেছনের বারান্দা দিয়ে দরজার ছিটকিনি আটকে দুই তলা থেকে লাফ দিয়ে চলে যান।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is স ল ট ট র পল ম?

স ল ট ট র পল ম is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does স ল ট ট র পল ম matter?

স ল ট ট র পল ম matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.