Banglajibon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সরকারি চিকিৎসক না হয়েও সদর হাসপাতালে প্র্যাকটিস, রোগীও টানেন ব্যক্তিগত চেম্বারে

Published Agustus 17, 2026 · Updated Agustus 17, 2026 · By Michael Williams - banglajibon.com

Foto : Michael Williams - banglajibon.com

সরকারি চিকিৎসকের পরিচয়ে ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী টানার অভিযোগ: চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল

Banglajibon.com – সরক র চ ক ৎসক ন হয় - গত তিন বছর ধরে চুয়াডাঙ্গা জেলা সদর হাসপাতালের একটি এসি কক্ষে বসে রোগী দেখছেন ডা. ফারুক হোসেন। অভিযোগে বলা হয়, এই সুযোগ তিনি ব্যবহার করে হাসপাতালের সামনেই অবস্থিত নিজের ব্যক্তিগত চেম্বার 'লাভলী টাওয়ারে' রোগী পাঠিয়ে দিচ্ছেন। তিনি কোনো সরকারি চিকিৎসক নন, আবার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের নিবন্ধিত চিকিৎসকও নন।

কীভাবে শুরু হলো এই ব্যবস্থা

২০২৩ সালের নভেম্বর মাস থেকে এই কক্ষে বসে রোগী দেখা শুরু করেন ডা. ফারুক হোসেন। অভিযোগে উল্লেখ আছে, তৎকালীন আ.লীগ এমপি সোলাইমান হক জোয়ার্দারের নির্দেশনায় এই সুযোগ তাকে দেওয়া হয়। চুয়াডাঙ্গা শহরের বাসিন্দা তিনি, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

অন্যান্য চিকিৎসকেরা পাননি এমন সুযোগ

অভিযোগ অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন বেসরকারি চিকিৎসক রোগীর চাপ কমাতে বিনা পারিশ্রমিকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবুও এই সুযোগ পেয়েছেন শুধু ফারুক হোসেন। একই সঙ্গে, সদর হাসপাতালে নিবন্ধিত একজন সরকারি চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ কর্মরত থাকা সত্ত্বেও তাকে একটি আলাদা এসি কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

হাসপাতাল-সংলগ্ন চিকিৎসকদের মন্তব্য

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ফারুক হোসেন বসেন কোন এখতিয়াতে? কেন তাঁর জন্য একটি কক্ষ রাখা হয়েছে? বেসরকারি চিকিৎসক তো সদর হাসপাতালে রোগী দেখতে পারেন না। এটা আইনবহির্ভূত। সরকারি হাসপাতালের পরিচয় বহন করে নিজের ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী টেনে নিয়ে যান তিনি। আর সদর হাসপাতালে একজন সরকারি চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ আছেন, তারপরও ফারুক হোসেন কোন যোগ্যতায় সদর হাসপাতালে রোগী দেখেন?

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সদর হাসপাতালের এক চিকিৎসক আজকের পত্রিকার সঙ্গে এই কথা বলেন।

ফারুক হোসেন তো ব্যবসা করছেন। তিনি তাঁর নিজের হাসপাতালে রোগী টানার জন্য সদর হাসপাতালকে ব্যবহার করছেন। তিনি এবং তাঁর স্ত্রী হাসপাতালে রোগীদের সঙ্গে বাজে আচরণও করেন।

একজন অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসকের ভাষায় অভিযোগের এই রূপ।

ডা. ফারুক হোসেনের পক্ষ

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নিজের পক্ষে কথা বলেন ডা. ফারুক হোসেন। কোনো কাগজপত্র দেখাতে না পারলেও তিনি দাবি করেন, 'তত্ত্বাবধায়ক স্যারের লিখিত অর্ডার আছে।' লিখিত চিঠির কপি দেখানোর প্রস্তাব করলে তিনি বলেন, 'আপনি আসবেন? আপনি আসেন, আপনাকে দেখাব। দেখানোর আগে আপনাকেও তো দেখতে হবে।'

তত্ত্বাবধায়কের প্রতিক্রিয়া

সরকারি চিকিৎসক না হওয়া সত্ত্বেও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রোগী দেখার বিষয়ে জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস বলেন, 'বিষয়টি নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না।'

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is সরক র চ ক ৎসক ন হয়?

সরক র চ ক ৎসক ন হয় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does সরক র চ ক ৎসক ন হয় matter?

সরক র চ ক ৎসক ন হয় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.