Bangladesh

শিশু নির্যাতন রোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান খেলাঘর আসরের

খেলাঘর আসরের আহ্বান: শিশু নির্যাতন রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি

শ শ ন র য তন র – শিশু নির্যাতন রোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান করেছে খেলাঘর আসর। বাংলাদেশে শিশুদের নিরাপদ ও নির্যাতনমুক্ত জীবন নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের একত্রিত কর্মসূচি আবশ্যক। শিশু নির্যাতন কমাতে হলে প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি করা আপেক্ষিক হবে। এর সাথে সাথে সুখী এবং আলোকিত দেশ গঠন করার জন্য শিশু সম্পর্কে নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা আবশ্যক।

শিশু নির্যাতনের চিত্র ও স্থিতি

খেলাঘর আসরের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য লেলিন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ৬ কোটি শিশু রয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালে শিশুর সংখ্যা ছিল ৫ কোটি ৮৯ লাখ। এর মধ্যে অসংখ্য শিশু পথশিশু, গৃহকর্মী বা শ্রমজীবী হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ জীবন যাপন করছে। এ সময়ে শিশু নির্যাতন ঘটনার হার প্রতি ১০টি শিশুর মধ্যে প্রায় ৯টি শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে শিশুধর্ষণ, যৌন হয়রানি, পাচার, শিশুশ্রম ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনা দেশে উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এগুলো সম্পূর্ণ রূপে শিশু নির্যাতন রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

নির্যাতন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার আলোচনা

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাত দশকের মধ্যে শিশু ধর্ষণের ৩৩টি মামলা রেজিস্টার হয়েছে। এ সময়ে প্রতি ১০টি শিশুর মধ্যে নির্যাতনের শিকার হয়েছে প্রায় ৯টি। বিশেষজ্ঞদের মতে দারিদ্র্য, অসচেতনতা, বিচারহীনতা এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভাব শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে বড় বাধা। এজন্য শিশু নির্যাতন মামলার দ্রুত বিচার, থানায় চাইল্ড ডেস্ক চালু ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করা আবশ্যক।

খেলাঘর আসরের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লেলিন চৌধুরী জানান, শিশুদের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে হলে শারীরিক, মানসিক, যৌন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা অপরিহার্য। প্রতিটি শিশু রক্ষার জন্য সরকার এবং বেসরকারি সংস্থার সামন্তরিক দৃষ্টিভঙ্গি কম বাধা হতে পারে। এছাড়াও সামাজিক অনুমোদন এবং নীতিগত ব্যবস্থার অভাব শিশু নির্যাতন বৃদ্ধি করে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী শিশু নির্যাতন ঘটনার মূল কারণগুলো স্থানীয় সমাজের অনুমোদন, শ

Leave a Comment