রাজধানীর শান্তিবাগে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার
আত্মহত্যার সন্দেহে নথিভূক্ত করা হয়েছে
র জধ ন র শ ন ত – শুক্রবার সকাল পনের বাজে রাজধানীর শান্তিবাগে অবস্থিত একটি বাসায় ফাহিমুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবকের মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া হয়। পুলিশ তদন্তের জন্য মৃত ব্যক্তির শরীর ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় স্থানীয় মানুষ বলেন, যুবকটি দুই দিন আগে শান্তিবাগে ভাড়া থাকতেন এবং বিমানবন্দরে সিভিল এভিয়েশন লোডারের কাজে নিযুক্ত ছিলেন। তাঁর মৃতদেহ খুঁজে পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
ফ্যানের সাথে লুঙ্গি পেঁচিয়ে মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া হয়
জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ শান্তিবাগে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তারা বাসার দরজা ভেঙে সাংবাদিক শ্রীদেব রাঙামাটি কাছে গিয়ে ফাহিমুল ইসলামের মৃতদেহ খুঁজে পান। যুবকটি ফ্যানের সাথে লুঙ্গি পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। পরে মৃতদেহ ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মর্গে পাঠানো হয়।
ফাহিমুল ইসলামের বাবা আব্দুল মান্নান বলেন, তাঁর পুত্র রাজধানীর শান্তিবাগে ভাড়া ছিলেন। তিনি বিমানবন্দরে কাজ করতেন এবং তাঁর দৈনিক জীবন প্রায় সামান্য চাপে ছিল। দুই দিন আগে তাঁর ভাড়াতনা শ্রীদেব রাঙামাটি চলে যায়। সকাল ৮টার দিকে তিনি ফ্যানের সাথে লুঙ্গি পেঁচিয়ে ছবি তুলে শ্রীদেবের কাছে পাঠানো হয়। সেখানে মেসেজ দেওয়া হয়, “আমি আত্মহত্যা করতে চলেছি।” এরপর শ্রীদেব প্রায় এক ঘণ্টা পর পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ তদন্তে নথিভূক্ত করেছে যে রাজধানীর শান্তিবাগে মৃত ফাহিমুল ইসলামের আত্মহত্যার কারণ খুঁজতে হবে। তাঁদের প্রাথমিক পর্যায়ে মৃত যুবকটির চোখে আঁকানো ছিল। বাসার ভিতরে তাঁর পরিবারের সদস্যদের আপেক্ষা করা হয়েছিল কিন্তু কেউ না কেউ আসেন নি। রাজধানীর শান্তিবাগে স্থানীয় মানুষদের অনুমান হয় যে যুবকটি দীর্ঘদিনের চাপে বেহুঁতো বেহুঁতো আত্মত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর চোখে চাপ তৈরি হয়েছিল যার ফলে সে প্রাণ ত্যাগ করেন।
স্থানীয় মানুষ কারণ খুঁজছেন
স্থানীয় মানুষদের মতে রাজধানীর শান্তিবাগে মৃত ফাহিমুল ইসলামের আত্মহত্যার কারণ খুঁজতে হবে। তাঁর পরিবার সম্পর্কে কিছু সূত্রে জানা গেছে যে তাঁর বাবা আব্দুল মান্নান একজন অবিবা�
