Banglajibon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

যৌন নিপীড়নের কথা জানিয়ে দেওয়ায় মাদ্রাসাছাড়া করা হলো শিশুকে

Published Agustus 13, 2026 · Updated Agustus 13, 2026 · By Betty Thomas - banglajibon.com

Foto : Betty Thomas - banglajibon.com

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা ছাত্রকে বহিষ্কার

প্রাথমিক অভিযোগ ও ঘটনার বিবরণ

Banglajibon.com – য ন ন প ড়ন র কথ - রাজশাহীর কাটাখালী বেলঘরিয়া এলাকার তা'লীমুল কুরআন হাফেজিয়া ক্বওমী বালক-বালিকা মাদ্রাসার এক আবাসিক ছাত্রের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আবদুর রউফের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ছাত্রটি বর্তমানে ১১ বছর বয়সী।

শিক্ষক আবদুর রউফ প্রায় প্রতি রাতেই ছাত্রটিকে মুখ চেপে ধরে যৌন নিপীড়ন করতেন বলে অভিযোগ। যদি ছাত্রটি বাধা দিত, তবে তাকে মারধর করা হতো। এছাড়াও পরীক্ষায় ফেল করানোর হুমকি দেওয়া হতো।

ঘটনা প্রকাশ ও মাদ্রাসার প্রতিক্রিয়া

গত মে মাসের শেষের দিকে যৌন নিপীড়নের কারণে ছাত্রটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। বাড়িতে গিয়ে সে তার মা-বাবাকে সবকিছু জানায়। এরপর ছাত্রের মা মাদ্রাসার পরিচালক আলমগীর হোসেনকে বিষয়টি জানান। তখন তিনি ঘটনাটি আর কাউকে না জানানোর অনুরোধ করেন।

পরিচালক আলমগীর হোসেন অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুর রউফকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেন। অভিযুক্তকে সরিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর ছেলেকে আবার ওই মাদ্রাসায় পাঠান।

পুনরায় বহিষ্কার ও ভয়ভীতি

পরিবারের অভিযোগ, কয়েকদিন পর থেকে মাদ্রাসার পরিচালক আলমগীর হোসেন এবং তাঁর স্ত্রী মীম খাতুন শিশুটির সঙ্গে দুর্ব্যবহার শুরু করেন। কয়েকদিন আগে চুরির অপবাদ দিয়ে তার ছেলেকে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

ছেলেকে পরে অন্য একটি মাদ্রাসায় ভর্তি করা হয়েছে। তিনি ধর্ষণের ঘটনার মামলা করতে চান, কিন্তু পুলিশ মামলা নিচ্ছে না।

ভুক্তভোগী শিশুর মা বলেন, এলাকার প্রভাবশালী দলিল লোকজন বাড়িতে গিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এমনকি পুলিশ পরিচয়ে কয়েকজন বাড়িতে গিয়ে ভয়ভীতিও দেখিয়েছেন।

বাবার দাবি ও হুমকি

পেশায় অটোরিকশাচালক শিশুটির বাবা দাবি করেন, ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতা তাঁকে ভয় দেখিয়েছেন যে এ ঘটনার কোনো মামলা করা যাবে না। মামলা করলে মাদক দিয়ে ফাঁসানো হবে এবং অটোরিকশা নিয়ে বের হলে পা ভেঙে দেওয়া হবে বলেও তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও প্রতিষ্ঠানের অবস্থান

নগরের কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কাদেরী বলেন, ঘটনাটি তিনি প্রথম থেকেই জানেন। ওই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর এলাকার লোকজন মাদ্রাসায় জড়ো হয়েছিলেন। খবর পেয়ে তিনিও সেখানে যান। তবে তখন কেউ তাঁর কাছে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেননি।

ওসি সুমন কাদেরী বলেন, এখন মাদ্রাসা থেকে ছাত্রটিকে বের করে দেওয়ার পর নতুন করে অভিযোগ সামনে আনা হয়েছে। আসলে কী ঘটনা ঘটেছিল, তা তদন্ত ছাড়া এখন বলা যাচ্ছে না।

অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষক আবদুর রউফের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তাঁর মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আলমগীর হোসেন এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান। এ জন্য তিনি ৫০ হাজার টাকাও দিতে চান। তাঁর এই বক্তব্যের রেকর্ড আজকের পত্রিকার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is য ন ন প ড়ন র কথ?

য ন ন প ড়ন র কথ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does য ন ন প ড়ন র কথ matter?

য ন ন প ড়ন র কথ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.