Bangladesh

মা-বাবা ছাড়াই ২০ শিশুকে ফেরত দিল ভারত

মা-বাবা ছাড়াই ২০ শিশুকে ফেরত দিল ভারত

ম ব ব ছ ড় ই ২০ – মা-বাবা ছাড়াই বাংলাদেশে ফেরত আসা ২০ জন শিশুর ব্যাপারে ভারত কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে প্রাপ্ত ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে সেই শিশুদের বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বুধবার সন্ধ্যায়। এসব শিশুদের মধ্যে নড়াইল, খুলনা, বাগেরহাট এবং সাতক্ষীরা জেলায় বাড়ি পাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ ও মানবাধিকার কর্মীদের তথ্য অনুযায়ী সেই শিশুগুলো বাড়ি ফিরে আসার পরে আরও দেড় হাজার শিশু বিভিন্ন জেলায় তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

তদন্ত ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ও পোর্ট থানার পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া পূর্ণ হওয়ার পরে তিনটি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান শিশুদের গ্রহণ করেছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি ৫ জন, জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ৬ জন এবং রাইটস যশোর ৯ জন শিশুকে স্বাগত জানানো হয়েছে। আটক হয়েছে ছয় থেকে দশটি শিশুর বিষয়ে বিএসএফ এবং ভারতীয় পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ঘোষণা করা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সাথে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে গিয়েছিল বলে তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে।

পুলিশ ও মানবাধিকার কর্মীদের মতে এসব শিশু ছাড়া বাপ মা ছাড়াই প্রাপ্তি ঘটেছে। ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে। বেনাপোল চেকপোস্টে বিভিন্ন গোলযোগের কারণে এই শিশুদের বাড়ি পাওয়া হয়। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ তাদের বেনাপোল চেকপোস্টে বিভিন্ন সময়ে নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে আদালতের নির্দেশে তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

‘আমি আমার মা-বাবার সাথে ফিরছিলাম। পুলিশ মা ও আমাকে ধরেছিল। বাবা পালিয়ে গিয়েছিল। এখন আমি একাই দেশে ফিরেছি।’

ফেরত আসা শিশুদের নিতে আসা স্বজন রহিমা জানায় ভারতে ধরপাকড়ের কারণে তাঁর মেয়ে, জামাই ও নাতনি আটক হয়েছিল। একাধিক শিশু ভারতীয় পুলিশ ও বিএসএফ হাতে আটক হয়। বর্তমানে কেবল নাতনি দেশে ফিরেছে। তার মানে বাপ মা ছাড়াই এখন তিনি স্বাধীন জীবন বিতত করছেন।

আইনি সহায়তা ও ব্যবস্থা

রাইটস যশোরের কাউন্সিলর বজলুর রহমান বলেন এসব শিশুদের আইনি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং পরিবারের কাছে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। ইমিগ্রেশন পুলিশের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরে শিশুদের মানবাধিকার সংস্থাগুলোতে হস্তান্তর করা হয়েছে। শিশুদের বাপ মা ছাড়াই প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আইনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এই শিশুগুলো প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে পরিবারের কাছে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য।

এই

Leave a Comment