মায়ের ইনজেকশন পুশ করা হলো নবজাতককে
Table of Contents
মায়ের ইনজেকশন পুশ করা হলো নবজাতককে — চট্টগ্রামে হাসপাতাল-দুর্ঘটনায় ক্ষোভ
Banglajibon.com – ম য় র ইনজ কশন প শ – চট্টগ্রাম নগরীর প্রবর্তক এলাকায় অবস্থিত একটি বেসরকারি হাসপাতালে গত শনিবার রাত নয়টার দিকে একটি ভয়ংকর চিকিৎসা-দুর্ঘটনা ঘটে। প্রসূতির জন্য বরাদ্দকৃত একটি বিশেষ ওষুধ-প্রয়োগ একজন নার্স ভুলে নবজাতকের শরীরে প্রয়োগ করে দেন। ম য় র ইনজ কশন প — এই ধরনের ভুলের ফলে শিশুটির শারীরিক অবস্থা দ্রুত অবনতি পেয়ে তাকে নিওনেটাল ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করতে হয়। ঘটনাটি পরিবারের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে এবং প্রতিষ্ঠানের রোগী-নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর প্রশ্নচিহ্ন তুলে ধরেছে।
কী ঘটেছিল
পরিবারের বর্ণনা অনুযায়ী, চিকিৎসক তাসনিমা বানুর তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে শাকিলা ইসলামিনের একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। প্রসব সম্পন্ন হওয়ার পর রাতে চিকিৎসক প্রসূতির শরীরে একটি নির্দিষ্ট ওষুধ প্রয়োগের নির্দেশ দেন। কিন্তু একজন নার্স সেই প্রয়োগ প্রসূতির শরীরে না করে নবজাতকের শরীরে দিয়ে দেন। শিশুটির অবস্থার অবনতি লক্ষ্য করা গেলে তাকে এনআইসিইউতে নেওয়া হয়।
প্রসূতির স্বামী মো. হাসান ঘটনার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, নার্সকে নিষেধ করার পরও সে মায়ের ইনজ কশন প-এর কাজটি বাচ্চাকে দিয়ে দিয়েছে। হাসপাতাল থেকে প্রচুর অর্থ আদায় হলেও সেবা-মান অত্যন্ত নিম্ন, এমন অভিযোগ তোলেন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত নার্স মাত্র কয়েক মাস আগেই প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেছিল।
“আমার স্ত্রী নার্সকে নিষেধ করার পরও সে ওষুধটি বাচ্চাকে দিয়ে দিল। আমাদের কাছ থেকে এত টাকা নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু চিকিৎসার মান খুবই খারাপ। অনভিজ্ঞ এই নার্সের কারণে আমার নবজাতক সন্তান এখন জীবন-মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়েছে।”
হাসপাতালের প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ
ঘটনার পরপরই রোগীর স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। রোববার হাসপাতালের চিফ অপারেটিং অফিসার সালাহউদ্দিন মাহমুদ জানান, অভিযুক্ত নার্সকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং নবজাতকের বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল। চিকিৎসকদের পরামর্শে শিশুটিকে মা-এর সঙ্গে কেবিনে রেখে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে; মেডিকেল বোর্ড যাবতীয় বিষয় তদারকি করছে।
“এটা চরম অন্যায্য হয়েছে। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আমরা দুঃখপ্রকাশ করছি। তবে নবজাতকের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। মেডিকেল বোর্ড নবজাতকের যাবতীয় বিষয় তদারকি করছে।”
উল্লেখ্য, নবজাতকের শরীরে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্ধারিত ওষুধ প্রয়োগ হলে ক্ষুদ্র শরীরে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রভাব ফেলতে পারে। শিশুর লিভার ও কিডনি এখনো সম্পূর্ণ বিকশিত হয়নি, তাই প্রাপ্তবয়স্ক মাত্রার ওষুধ প্রবেশ করলে হাইপারসেনসিটিভিটি রিঅ্যাকশন, শ্বাসকষ্ট বা অন্যান্য জীবনঘাতি প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। এনআইসিইউ-তে স্থানান্তর এই ধরনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
পুলিশ ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের অবস্থান
পাঁচলাইশ থানার উপপরিদর্শক কামরুজ্জামান জানান, জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে ঘটনাটি পুলিশকে জানানো হয়। পরে একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভুল প্রয়োগের বিষয়টি স্বীকার করেছে। ভুক্তভোগী পরিবার আইনি প্রতিকার চাইলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে জানান, তাঁরা বিষয়টি শুনেছেন, তবে কারও কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: এই ধরনের ভুল প্রতিরোধে হাসপাতালে কী ব্যবস্থা থাকা উচিত?
সাধারণত প্রসূতি ও নবজাতকের চিকিৎসায় আলাদা নার্সিং টিম থাকে, ওষুধ প্রয়োগের আগে রোগীর পরিচয় যাচাই (ডাবল-চেক) প্রোটোকল অনুসরণ করা হয় এবং শিশুর শরীরে কোনো প্রয়োগের আগে চিকিৎসকের লিখিত নির্দেশনা ও ওজন-ভিত্তিক মাত্রা নিশ্চিত করা আবশ্যক। একজন নতুন নার্সের কাছে এই ধরনের
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ম য় র ইনজ কশন প শ?
ম য় র ইনজ কশন প শ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ম য় র ইনজ কশন প শ matter?
ম য় র ইনজ কশন প শ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
