Banglajibon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মানব পাচার: তিন বছর ধরে নিখোঁজ যশোরের ৫ যুবক

Published September 7, 2026 · Updated September 7, 2026 · By Susan Hernandez - banglajibon.com

Foto : Susan Hernandez - banglajibon.com

মানব পাচারের শিকার: যশোরের পাঁচ যুবক তিন বছর ধরে নিখোঁজ

Banglajibon.com – ম নব প চ র - উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখে বিদেশে যাওয়ার পথে বাংলাদেশের তরুণদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলার ঘটনা বারবার ঘটে আসছে। ম নব প চ র এখন আর শুধু পরিসংখ্যানের একটি সংখ্যা নয়—এটি হাজারো পরিবারের প্রতিদিনের যন্ত্রণা। যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় তিন বছর আগে এমনই এক ঘটনার শিকার হয়েছেন পাঁচজন যুবক। আজও তাঁদের কোনো খোঁজ-খবর নেই, আর পরিবারগুলো অপেক্ষার অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছেন।

দালালের ফাঁদে পড়া পাঁচ তরুণ

শার্শার ধান্যখোলা গ্রামের পাঁচজন যুবক—আবু মোছার ছেলে ইয়াসিন আরাফাত, মশিয়ারের ছেলে আনোয়ার হোসেন, আরশাদের ছেলে রানা হোসেন, আব্দুলের ছেলে শাহিন আলম এবং হাসেমের ছেলে মেহেদী হাসান—কাজের আশায় লিবিয়া যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। স্থানীয় দালালদের কাছে প্রত্যেকে ৯ থেকে ১২ লাখ টাকা করে পরিশোধ করেন তাঁরা। কিন্তু লিবিয়ায় পৌঁছানোর আগেই পরিবারের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ঘটনার তিন বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো তাঁদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এই পাঁচজনের বিদেশযাত্রার সুযোগ তৈরি করেছিলেন ধান্যখোলা গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে সোহাগ। পরিবারগুলোর বক্তব্য অনুযায়ী, সোহাগই ছিলেন সেই মাধ্যম যিনি লিবিয়ায় কাজের সুযোগের কথা বলে তরুণদের আকর্ষণ করেন। টাকা হাতে নেওয়ার পর যোগাযোগ ধীরে ধীরে কমে যায়, আর কিছুদিনের মধ্যেই সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পরিবারগুলো বলছেন, ম নব প চ র-এর এই ধরনটি স্থানীয় দালালদের মাধ্যমেই ঘটে—তরুণকে প্রথমে আশ্বাস দেওয়া হয়, তারপর টাকা নেওয়া হয়, এবং শেষ পর্যন্ত কোনো জবাবদিহিতা থাকে না।

«তিন বছর হয়ে গেছে। প্রতিদিন সকালে উঠে আমরা একই প্রশ্ন করি—আমাদের ছেলে কোথায়? কেউ কোনো উত্তর দেয় না।» — ধান্যখোলা গ্রামের এক পরিবারের সদস্য

পরিবারগুলোর অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। লিবিয়ার বাংলাদেশি দূতাবাস বা শ্রম দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টাও ফলহীন হয়েছে। ফলে পাঁচটি পরিবার এখন সম্পূর্ণ নিরুপায়ের মুখে—আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, মানসিকভাবে ভাঙা, এবং আইনি সহায়তার কোনো সুনির্দিষ্ট পথ পাননি। ম নব প চ র-এর শিকার পরিবারগুলোর জন্য এটি একটি দীর্ঘ, নিঃশব্দ যুদ্ধ।

প্রশ্নোত্তর: পরিবারগুলো কী করতে পারেন

প্রশ্ন: নিখোঁজ ব্যক্তির খোঁজ নিতে প্রথমে কোথায় যোগাযোগ করা উচিত? উত্তর: প্রথমে স্থানীয় থানায় নিখোঁজের মামলা দায়ের করুন। এরপর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের হটলাইন এবং লিবিয়ার বাংলাদেশি দূতাবাসের কনস্যুলার বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আন্তর্জাতিক স্তরে আইনত সহায়তা পেতে বাংলাদেশের মানবাধিকার কমিশনেও আবেদন করা যায়।

প্রশ্ন: দালালকে টাকা দেওয়ার পর কোনো চুক্তি বা রসিদ নেওয়া হয়নি—এখন কী করা যায়? উত্তর: স্থানীয় আদালতে দালালকে বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা দায়ের করা সম্ভব। পাশাপাশি, স্থানীয় জেলা প্রশাসন বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া উচিত। সাক্ষীর সাক্ষ্য—যেমন একই গ্রামের অন্য তরুণদের অভিজ্ঞতা—মামলা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

প্রশ্ন: ম নব প চ র-এর শিকার পরিবারগুলো কি কোনো সরকারি সহায়তা পান? উত্তর: বাংলাদেশে মানব পাচার প্রতিরোধ আইন-২০১২ অনুযায়ী শিকার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা আছে। তবে বাস্তবে এই সুবিধা পেতে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া পার হতে হয়। স্থানীয় এনজিও বা আইনসহায়তা কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রক্রিয়াটি সহজতর করা যায়।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ম নব প চ র?

ম নব প চ র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ম নব প চ র matter?

ম নব প চ র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.