Bangladesh

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী পুতুল

khrisna-edit-1788307421-687eea6d34
Foto : Michael Williams - banglajibon.com
Table of Contents
  1. মাদক, দুর্নীতি ও বেকারত্বকে বাংলাদেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করলেন প্রতিমন্ত্রী পুতুল
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

মাদক, দুর্নীতি ও বেকারত্বকে বাংলাদেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করলেন প্রতিমন্ত্রী পুতুল

Banglajibon.com – ম দক র ব র দ ধ – নাটোরের লালপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল ঘোষণা করেছেন, বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি মাদক, দুর্নীতি ও বেকারত্বকে দেশের তিনটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে জানান, এই সমস্যাগুলো মোকাবিলায় সরকার কাজ শুরু করেছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে।

মাদকাসক্ত যুবসমাজ ও সামাজিক সচেতনতা

প্রতিমন্ত্রী মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে উল্লেখ করেন, যুবসমাজের একটি অংশ মাদকাসক্ত হয়ে নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সামাজিক সচেতনতা এবং প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ অপরিহার্য বলে মত দেন তিনি। অভিভাবকদের প্রতি সন্তানদের সঙ্গে কারা মিশছে এবং তারা কী করছে, সেদিকে নজর রাখার আহ্বানও জানান ফারজানা শারমীন পুতুল।

গণতন্ত্র রক্ষায় বিএনপির ভূমিকা

বিএনপির প্রতিষ্ঠা ও দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে প্রবেশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র যখনই লুণ্ঠিত হয়েছে এবং দেশকে গণতন্ত্রের পথ থেকে বিচ্যুত করা হয়েছে, তখনই বিএনপি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। ১৯৯০ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি দাবি করেন, দেশে আবারও গণতন্ত্র লুণ্ঠিত হচ্ছিল, মাফিয়াতন্ত্র বিস্তার লাভ করছিল এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে দেওয়া হচ্ছিল। সেই পরিস্থিতিতেও বিএনপি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির হাত ধরে দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা আবার শুরু হয়েছে বলেও দাবি করেন প্রতিমন্ত্রী।

স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে ইতিহাসের বিতর্ক

স্বাধীনতার ঘোষণার প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন:

বাংলাদেশের ইতিহাসকে বারবার বিতর্কিত করার চেষ্টা হচ্ছে। স্বাধীনতার ঘোষক নিয়েও বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। তবে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের মানুষ যে কণ্ঠ শুনেছিলেন, তিনি ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ইতিহাসকে যতই বিকৃত করার চেষ্টা করা হোক, শেষ পর্যন্ত ইতিহাসই সত্যকে সামনে নিয়ে আসে।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা

বিএনপিকে জনগণের দল হিসেবে উল্লেখ করে পুতুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে দেশের মানুষ ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে চেনে। শত নিপীড়ন-নির্যাতনের পরও তিনি কারও কাছে মাথা নত করেননি। তাঁর সেই বক্তব্য স্মরণ করিয়ে দেন প্রতিমন্ত্রী:

এ দেশ ছাড়া আমার কোনো দেশ নেই। এ দেশের মানুষ ছাড়া আমার কোনো আপনজন নেই।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়ার পাশে থাকার কথা ছিল বলে জানান প্রতিমন্ত্রী, কিন্তু নানা ষড়যন্ত্রের কারণে তিনি আজ তাদের মাঝে নেই। তবে তিনি দলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের হৃদয়ে রয়েছেন। তাঁর আদর্শকে শক্তিতে পরিণত করে একটি মেরুদণ্ডসম্পন্ন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

সরকারের সামাজিক ও শিক্ষা কর্মসূচি

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। কার্ড দেওয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। খাল খননের কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হয়েছে। গত ছয় মাসে এসব কাজ শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃতভাবে কার্যক্রমগুলো মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

শিক্ষা খাতে মেটের স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের স্কুলব্যাগ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দুস্থদের ভাতা, অসুস্থদের সহযোগিতা এবং প্রতিবন্ধীদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

সমাবেশে উপস্থিত নেতারা

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু, গোপালপুর পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম মোলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ছিদ্দিক আলী মিষ্টু ও হামিদুর রহমান বাবু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ রঞ্জু, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল বারী বাবলা, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম ও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাহান কবির সুইটসহ স্থানীয় বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

Frequently Asked Questions

What is ম দক র ব র দ ধ?

ম দক র ব র দ ধ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ম দক র ব র দ ধ matter?

ম দক র ব র দ ধ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment