Banglajibon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ভূমি অফিসে হয়রানি: ‘রেট’ করে ঘুষ নেন ভূমি কর্মকর্তা

Published Agustus 13, 2026 · Updated Agustus 13, 2026 · By Betty Thomas - banglajibon.com

Foto : Betty Thomas - banglajibon.com

ভূমি কর্মকর্তার 'রেট' ঘুষ ও নামজারি বাতিলের অভিযোগ

সুনির্দিষ্ট হারে টাকা না দিলে হারানি ও হুমকি

Banglajibon.com – ভ ম অফ স হয়র ন - রাজশাহীর তানোর উপজেলার ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সজীবের বিরুদ্ধে ভূমি মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন এক সেবাগ্রহীতা। জমির নামজারির ক্ষেত্রে তিনি একটি নির্দিষ্ট হারে ঘুষ গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ। সেই হার মেনে চলতে না পারলে সেবাগ্রহীতারা হারানির শিকার হন। এমন পরিস্থিতিতে অভিযোগ করলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগী।

সাকিল আহমেদ নামের এক ব্যক্তি এই অভিযোগ করেছেন। তাঁর বাড়ি তানোর উপজেলা সদরের গোল্লাপাড়া মহল্লায়। তাঁদের জমি তানোর পৌর এলাকার অন্তর্ভুক্ত। ইউনিয়ন ভূমি অফিসেই তাঁরা জমির খাজনা ও খারিজ সম্পন্ন করেন। ওই অফিসেই কর্মরত আছেন তানভীর আহমেদ সজীব। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুপস্থিত থাকায় ইউএনও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সাকিলের দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তাঁর মা গোলেনুর বিবিসহ আত্মীয়দের নামে জমির নামজারি ও জমাভাগের অনলাইন আবেদন করেন। আবেদন করার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে মোবাইলে বার্তা আসে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আদালতের রায়ের নথি নিয়ে তিনি তানভীর আহমেদ সজীবের কাছে যান।

কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে তানভীর বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে সরকারি ফির বাইরে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ওই টাকা প্রদানে অস্বীকৃতি জানানো হলে তিনি ফাইলে নানা ধরনের ত্রুটি ও অজুহাত দেখিয়ে নামজারি আবেদন আটকে রাখেন। নিরুপায় হয়ে সাকিল আহমেদ ৫০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন। এরপর তানভীর ইউএনওর কাছে নামজারির প্রস্তাব পাঠান।

এমন কাজ করব, সারা জীবন পস্তাবা।

সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতে এসি ল্যান্ডের দায়িত্বে থাকা ইউএনও নাঈমা খান গত ৭ এপ্রিল তিন একর আট শতক জমির নামজারি মঞ্জুর করেন। পরে সরকারি নিয়মে ডিসিআর ফি পরিশোধ করে সাকিল প্রস্তাবিত খতিয়ান অনলাইন থেকে সংগ্রহ করেন। হোল্ডিং খুলে অনলাইন দাখিলা সংগ্রহ করতে গেলে তানভীর আবারও ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।

টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে 'নেট নেই' বলে হোল্ডিং খুলে দিতে তালবাহানা করেন তানভীর। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অফিসে বসিয়ে রাখার পর হোল্ডিংয়ে দাখিলা জমা দেওয়া হয়। এই সময়ে তানভীর হুমকি দিয়ে বলেন, 'এমন কাজ করব, সারা জীবন পস্তাবা।' কয়েক দিন পর তাঁর ওয়ারিশরা নম্বর হোল্ডিং যাচাই করতে গিয়ে দেখেন, সেখানে কোনো জমিই নেই।

অনলাইনে প্রস্তাবিত খতিয়ান যাচাই করে তিনি জানতে পারেন, গত ৭ এপ্রিল মঞ্জুর হওয়া তাঁর নামজারি মাত্র ৪৩ দিনের মাথায় ২০ মে বাতিল করেছেন ইউএনও। অথচ তাঁকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। সাকিলের অভিযোগ, তানভীর বেঁধে দেওয়া 'রেট' অনুযায়ী টাকা না পেয়ে ইউএনও নাঈমা খানকে দিয়ে তাঁর নামজারি বাতিল করেছেন।

বিষয়টি জানতে তানভীরের কাছে গেলে তিনি দুর্ব্যবহার করে অফিস থেকে বের করে দেন। পরে ভুক্তভোগী সাকিল ইউএনও নাঈমা খানের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানান। এরপর ইউএনও তাঁকে নতুন করে নামজারির আবেদন করতে বলেন।

সাকিল আরও অভিযোগ করেন, পরদিন ভূমি কর্মকর্তা তানভীর তাঁকে ফোন করে বলেন, 'আমি তোমার খারিজ নষ্ট করেছি, আমিই ঠিক করে দেব। আমার রাজশাহীর বাড়িতে এসো, আমি নিজেই সব ঠিক করে দেব।' এ বক্তব্যের কল রেকর্ড ভুক্তভোগীর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

সাকিলের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি এই অভিযোগ স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছেও দিয়েছেন। তাঁর দাবি, ইউএনও নাঈমা খান ও ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সজীবের যোগসাজশে নামজারি বাতিল করেছেন।

এসব অভিযোগের বিষয় জানিয়ে ইউএনও নাঈমা খানের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি মিটিংয়ে ব্যস্ত আছেন বলে জানান। পরে তিনি আর কল রিসিভ করেননি। তবে পরবর্তীকালে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সজীব নিজেই এই প্রতিবেদকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইউএনওকে ফোন করার কারণ জানতে চান। এই সময়ে তাঁর এবং ইউএনওর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয় জানালে তিনিও বলেন, মোবাইলে তিনি কথা বলবেন না।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ভ ম অফ স হয়র ন?

ভ ম অফ স হয়র ন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ভ ম অফ স হয়র ন matter?

ভ ম অফ স হয়র ন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.