বগুড়ায় দুই পরিবহনশ্রমিক গ্রেপ্তারে ঈদযাত্রায় মহাসড়ক অবরোধ
বগ ড় য় দ ই পর বহনশ – বগুড়ায় পরিবহনশ্রমিকদের গ্রেপ্তারে ঈদযাত্রার মুখে মহাসড়ক অবরোধ ঘটেছে। প্রশাসনের দিকে দিন-রাত কর্মকর্তাদের প্রতিবাদের কারণে শহরের মুখ্য রাস্তায় আটকে থাকা যানবাহনের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। বুধবার দুপুরে বগুড়ার চারমাথা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এবং শহরের ঠনঠনিয়া ঢাকা বাস টার্মিনালের সামনে অবরোধ চালানো হয়। এতে উত্তরবঙ্গে চার হাজার যানবাহন সম্পূর্ণ আটকা পড়েছে এবং ঈদে ঘরে ফেরার পথে যাত্রীদের দুর্ভোগ ঘটেছে।
গ্রেপ্তার প্রতিবাদ ও শ্রমিকদের আবেদন
ঘটনার সময় হাইওয়ে পুলিশের সুপার আবু তোরাব মোহাম্মদ সামছুদ্দিন নেতৃত্ব দিয়ে টহল দিচ্ছিল ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের মাটিডালী বিমানমোড় এলাকায়। শ্রমিকদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয়েছে এবং দুই পরিবহনশ্রমিককে হাতেনাতে আটক করা হয়। তাঁদের নাম মনির হোসেন (৫০) ও আব্দুর রহিম (৩৫)। শ্রমিকদের কথায়, প্রশাসনের সাথে নিয়মিত আলোচনা না হওয়ায় তাদের সাধারণ মানুষের উপর ভার নেয়া হয়েছে।
শ্রমিকনেতা শেখ ফরিদ জানান, আমরা দিন-রাত জনগণের সেবা করছি, কিন্তু বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন হচ্ছে শ্রমিকদের ওপর। গ্রেপ্তারের পর আমাদের প্রতিবাদে শহরের মুখ্য রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে যাতে প্রশাসন নিজেদের মধ্যে কার্যকর সমাধান খুঁজে পায়।
ঈদযাত্রার প্রতিক্রিয়া এবং যাত্রীদের বিষয়টি
ঈদের আগে বাড়ি ফেরার পথে যাত্রীদের বিশেষ কষ্ট হয়েছে। ঢাকা থেকে আসা যাত্রী সাইফুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে রওনা দিয়েছি কিন্তু এখনো বাড়ি পৌঁছাতে পারিনি। তিনি জানান, শ্রমিক ও প্রশাসনের মধ্যে বিরোধ নিজেদের মধ্যে সমাধান করা উচিত ছিল। চট্টগ্রাম থেকে আসা যাত্রী রোখসানা খাতুন বলেন, সাধারণ মানুষকে জিম্মি না করে বিষয়টি শ্রমিকদের মধ্যে সমাধান করা উচিত।
বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন পিন্টু জানান, বগুড়ায় ২৬ হাজার শ্রমিক প্রায় ৪০ লাখ মানুষের জন্য সেবা করছে। তিনি আরো বলেন, বগুড়ায় পরিবহনশ্রমিকদের জন্য আন্দোলনের প্রতিক্রিয়া হাইওয়ে পুলিশের প্রতি যথার্থ চাপ সৃষ্টি করেছে। অবরোধ প্রত্যাহার করার পর জামিন ঈদের পর বিবেচনার জন্য আশ্বাস দেওয়া হয
