গৃহবধূ ঝলসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে পাঁচ বছর পর
প ট রল ঢ ল আগ ন – গৃহবধূ বিথী আক্তারের মৃত্যুর ঘটনা ঢাকার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে গুরুতর জখমে ভর্তি হওয়ার ৭ দিনের মাথায় ঘটেছে। ঘটনাটি কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের নিজামের চৌপথী এলাকায় ঘটেছে এবং পেট্রল ঢেলে আগুন লাগানো হওয়ার জন্য কেন্দ্র বনাম সাজু খান, বিথীর স্বামী। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিথীর পরিবারের দাবি, যৌতুকের জন্য তাঁদের পরিবারের সদস্যরা নানাভাবে নির্যাতন করে আসছে। কারণে তাঁকে পেট্রল ঢেলে ঝলসে মৃত্যু ঘটানো হয়েছে এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার সম্পূর্ণ অবনতির কারণে তাঁকে ঢাকায় নেয়া হয়। ঘটনার সময় সাজু খান তার ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির গেটে তালা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
ঘটনার স্থানীয় ঘটনা
৯ মে রাতে বিথী খানকে পেট্রল ঢেলে সাজু খান তাঁকে আগুনে ঝলসে মৃত্যু ঘটানো হয়। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায় যে, ঘটনার সময় বিথী তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাড়িতে ছিলেন। সাজু খান তার মৃত্যুর ঘটনাকে আঘাত করে মারামারি করেছিলেন যেখানে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগানো হয়েছিল। ঘটনার পর লোকজন ছুটে আসে এবং ঝলসা মেয়েটিকে উদ্ধার করে নীলফামারী সদর হাসপাতালে প্রথমে ভর্তি করা হয়। এরপর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু কয়েক দিন পরে তাঁর শরীর ক্ষত প্রাণহানির কারণে অবনতি পেয়েছিল।
বিথীর মা মাসুদা আক্তার বলেন, “বিয়ের পর থেকে আমাদের পরিবারের সদস্যদের মারধর করে আসছে যৌতুকের জন্য। আমরা সাধ্যমতো আর্থিক সহযোগিতা করেছি, কিন্তু সাজু খান আমাদের কোনও সুখ দেখায়নি। শেষে তাঁকে পেট্রল ঢেলে আগুনে ঝলসে মৃত্যু ঘটানো হয়।”
স্থানীয় প্রতিক্রিয়া এবং তদন্ত
নীলফামারী সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং সাজু খানকে পলাতক ঘোষণা করা হয়েছে। বিথীর চাচা লোকমান হোসেন মামলার বাদী হয়ে আছেন। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত চালাচ্ছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগানোর ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে এবং তার সাথে পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অপরাধ সম্পর্কে অনুসন্ধান চালু করা হয়েছে। সাজু খান এখনও সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছেন এবং পুলিশ তাঁকে জেলে নিয়ে গেছে।
ঘটনার পর দেশব্যাপী চাঞ্চল্য ছড়ায় এবং বিথীর বিপদ নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। মামলা দায়েরের পর সাজু খান পেট্রল ঢেলে আগুন লাগানো ঘটনার প্রতি স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে অনুসন্ধান চালু করা হয়েছে। মৃত গৃহবধূ বিথী আক্তারের পরিবার ঘোষণা করেছেন যে তাঁর জানাজা শেষে দাফন শনিবার (১৬ মে) প্রত্যাশিত। এই ঘটনার প্রতি আপত
