Bangladesh

নারায়ণগঞ্জে বাসায় বিস্ফোরণ: বাবা ও তিন সন্তানের মৃত্যু, মায়ের অবস্থাও আশঙ্কাজনক

নারায়ণগঞ্জে বাসায় বিস্ফোরণ: পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত্যু ও মায়ের আশঙ্কাজনক অবস্থা

ন র য়ণগঞ জ ব স য় – নারায়ণগঞ্জে বাসায় বিস্ফোরণ ঘটেছে যেখানে বাবা ও তিন সন্তানের প্রাণ হারিয়েছে। ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার গ্রামবাংলা টাওয়ারের সামনে গত রোববার সকালে ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। সাম্প্রতিক ঘটনার তদন্ন করতে সংশ্লিষ্ট আশঙ্কাজনক সংঘটনার পরিচয় পেয়েছেন মো. হাসান বলেন, তিনি বাসায় বিস্ফোরণ ঘটার সময় ঘরে আগুন জ্বলছে দেখে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সালমা আক্তার মা বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়েছে।

বিস্ফোরণের কারণ ও সংঘটনার পরিস্থিতি

গ্যাস লিকেজের কারণে ঘটেছে এই বাসায় বিস্ফোরণ। স্থানীয় মূলধন বিষয়টি বর্ণনা করেছেন যে ঘটনার সময় আবুল কালাম রান্না করার জন্য বাসা থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখন রান্নাঘরে দিয়াশলাই জ্বালাতে বিস্ফোরণ ঘটে। বাবা আবুল কালাম (৩৫), তাঁর স্ত্রী সালমা আক্তার (৩২), ছেলে মুন্না (১২), দুই মেয়ে কথা (৪) ও মুন্নি (৭) প্রাণহারা হন। নারায়ণগঞ্জ জেলার বাউফল থানার বালুকদিয়ে গ্রামে তাদের বাসা থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মুন্নির ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। মৃত্যুর সংখ্যা জানানো হয় নারায়ণগঞ্জে বাসায় বিস্ফোরণ ঘটনার পরিচয় পেয়েছেন। বাবা আবুল কালামের পর একে একে তিন সন্তানের প্রাণ হারিয়েছে। সালমা আক্তারের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

ঘটনার দিন তাদের বাসায় বিস্ফোরণ ঘটার সময় আবুল কালাম আগের দিনের রান্না করা তরকারি গ্যাসের চুলায় গরম করতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বাসার ভেতর আগুন জ্বলছে দেখে সামনে থানার কর্মকর্তারা সাহায্য করেন। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এই দুর্ঘটনার পর তাঁদের বাসায় বিস্ফোরণের পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে বাসায় বিস্ফোরণ ঘটার পর স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বিস্তারিত তদন্ন চালিয়েছেন। আবুল কালাম এবং তাঁর ছেলে মুন্না আগে থেকে গ্যাসের দুর্ঘটনা নিয়ে চিন্তা করছিলেন। তাঁদের বাসায় বিস্ফোরণ ঘটার কারণ গ্যাস লিকেজের অনুমান করা হয়। এখনও সালমা আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত খুশিমুক্ত হয়েছে বলে জানানো হয়নি।

নারায়ণগঞ্জে বাসায় বিস্ফোরণ ঘটার পর স্থান�

Leave a Comment