ছোট্ট সেই রেশমিকে বাঁচানো গেল না
ছ ট ট স ই র শমের সংঘটিত ঘটনায় রেশমি আক্তার (১২) মৃত্যুর পর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ঘটনার সময় তিনি মায়ের জন্য পান কিনতে বাসা থেকে বের হন। কিন্তু তার জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ মুহূর্ত হয়ে দাঁড়িয়েছিল সেই অপরাধ।
রেশমি আক্তার দুর্ঘটনার দিন রাত পৌনে ১১টার দিকে গুলিবিদ্ধ হন। অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচ জন সন্ত্রাসী রাউজানের কদলপুর এলাকার মো. হাসান ওরফে রাজুকে তাড়া করে। গুলি ছুড়ে পেছন থেকে রেশমির চোখে বুলেট বিদ্ধ হয়। আহত হওয়ার পর সে অচেতন অবস্থায় চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
চিকিৎসা ক্ষমতা ব্যর্থ হয়েছিল
এক দিন পর তাকে চমেক হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের জন্য আনা হয়। সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ছোট্ট রেশমি শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর সম্মুখীন হন। চমেক হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডাক্তার কে এম বাকী বিল্লাহ সবুজ বলেন, রেশমির মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ গুলির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ছ ট ট স ই র নিহত ছোট্ট রেশমি বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
রেশমি আক্তার নিহত হয়েছিলেন রাতে নিজের মায়ের জন্য পান তুলে আনতে বাসা থেকে বের হওয়ার সময়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে রেশমি সাধারণ মানুষের জন্য এই হত্যার জন্য বিপর্যস্ত হয়েছিল। তার পরিবার ঘটনার পুরো বিবরণ দিয়েছিল যে ছ ট ট স ই র নিহত ছোট্ট রেশমি মায়ের জন্য পান কিনতে বের হয়েছিলেন।
আমাদের ছোট রেশমি কোনো অপরাধ না করেও এভাবে চলে যেতে হলো। তিনি ছোট্ট রেশমি শিশু হিসেবে নিজের মায়ের জন্য পান কিনতে বের হন। আমরা এই হত্যার বিচার চাই।
রেশমি আক্তারের মৃত্যু ঘটেছিল গত শুক্রবার থেকে আইসিইউতে ভর্তি থাকার পর। চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন যে ছ ট ট স ই র নিহত ছোট্ট রেশমি তাদের চিকিৎসার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে ছোট্ট রেশমি মায়ের জন্য পান কিনতে বের হওয়ার সময় সেই গলিতে আটকে থাকেন। ঘটনার পর রেশমির পরিব
