Banglajibon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

চিতলমারীতে ২১ লাখ ৮১ হাজার টাকার গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ

Published September 30, 2026 · Updated September 30, 2026 · By Joseph Lopez - banglajibon.com

Foto : Joseph Lopez - banglajibon.com

চিতলমারীতে বিপুলসংখ্যক গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ, মালিকের কারাদণ্ড ও জরিমানা

Banglajibon.com – চ তলম র ত ২১ ল খ - বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় অনুমোদিত সীমার তুলনায় অনেক বেশি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখার অভিযোগে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে ২ হাজার ৪২টি সিলিন্ডার জব্দ করা হয়েছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দ করা এসব সিলিন্ডারের বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ২১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা।

উপজেলা মোড়ে অবস্থিত মের্সাস রোহা এন্টারপ্রাইজে মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান চালানো হয়। সেখানে সিলিন্ডার সংরক্ষণ, মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডারের উপস্থিতি এবং রিফিলের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযানের পর প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. রিয়াদ মুন্সিকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

লাইসেন্সে অনুমোদন ছিল মাত্র ৪০টি

চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা আক্তার বুধবার দুপুরে অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিতে ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার রাখার অনুমতি ছিল। কিন্তু অভিযানে পাওয়া যায় এর চেয়ে বহুগুণ বেশি সিলিন্ডার।

মের্সাস রোহা এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. রিয়াদ মুন্সি লাইসেন্স অনুযায়ী ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখতে পারবেন। কিন্তু তিনি ২ হাজার ৪২টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করে রেখেছেন। এগুলোর মধ্যে ১৭৪টি পূর্ণ সিলিন্ডার ও ১ হাজার ৮৬৮টি খালি।

জব্দ করা সিলিন্ডারের মধ্যে ১৭৪টি ছিল পূর্ণ এবং বাকি ১ হাজার ৮৬৮টি খালি। এত বিপুলসংখ্যক সিলিন্ডার মজুতের যৌক্তিক কারণ প্রতিষ্ঠানের মালিক দিতে পারেননি বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত সিলিন্ডার জমা রাখা নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রক শর্ত পালনের বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।

মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ও রিফিল নিয়ে প্রশ্ন

অভিযানের সময় বেশ কিছু সিলিন্ডারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বলেও উঠে আসে। গ্যাস সিলিন্ডারের মেয়াদ, সংরক্ষণ এবং রিফিলের নিয়ম মানা জননিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়। সিলিন্ডারের অবস্থা যাচাই, অনুমোদিত ব্যবস্থায় গ্যাস সরবরাহ এবং নির্ধারিত নিয়মে মজুত নিশ্চিত করা এ ধরনের ব্যবসার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

তা ছাড়া জব্দ করা অনেক সিলিন্ডারের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এগুলো সরাসরি কোম্পানি থেকে আনার কথা। কিন্তু উনারা বাইরে থেকে রিফিল করান।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, সিলিন্ডারগুলো কোম্পানি থেকে সরাসরি সংগ্রহের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বাইরে রিফিল করানো হতো। অভিযান পরিচালনাকারীরা এ বিষয়টিও আমলে নিয়েছেন। মেয়াদোত্তীর্ণ বা অনিয়মিতভাবে রিফিল করা সিলিন্ডার নিয়ে সতর্কতা জরুরি, কারণ গ্যাসের মতো দাহ্য পণ্য ব্যবহারে সংরক্ষণ ও সরবরাহের প্রতিটি ধাপে বিধিবিধান মানা প্রয়োজন।

পেট্রোলিয়াম আইনে ব্যবস্থা

অভিযানের পর পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০(১) ধারায় মো. রিয়াদ মুন্সির বিরুদ্ধে সাজা দেওয়া হয়েছে। আদালতের আদেশে তাঁকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অনুমোদিত ৪০টি সিলিন্ডার বাদ দিয়ে বাকি সব সিলিন্ডার জব্দ করা হয়েছে।

আমরা পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০(১) ধারায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. রিয়াদ মুন্সিকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। ৪০টি সিলিন্ডার বাদে অন্য সিলিন্ডারগুলো জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে।

জব্দ তালিকায় থাকা সিলিন্ডারগুলো পরে চিতলমারী থানায় নেওয়া হয়েছে। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার ঘোষ জানান, সিলিন্ডারগুলো থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে। সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীকে জেলা কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল।

গ্রাহকদের জন্য সতর্ক থাকার বিষয়

রান্নার কাজে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের সময় গ্রাহকদেরও কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা দরকার। সিলিন্ডারের গায়ে থাকা তথ্য ও বাহ্যিক অবস্থা পরীক্ষা করা, অস্বাভাবিক গন্ধ পেলে ব্যবহার বন্ধ রাখা এবং অনুমোদিত বিক্রেতার কাছ থেকে সিলিন্ডার সংগ্রহ করা নিরাপদ ব্যবহারের অংশ। সিলিন্ডারের রেগুলেটর, পাইপ ও সংযোগস্থলেও কোনো ত্রুটি আছে কি না নিয়মিত দেখা প্রয়োজন।

চিতলমারীর এই অভিযান দেখিয়েছে যে, অনুমোদিত সীমা, নিরাপদ সংরক্ষণ এবং সিলিন্ডারের ব্যবহারযোগ্যতা যাচাইয়ের বিষয়গুলো শুধু ব্যবসায়িক নিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গ্যাস সরবরাহ ও মজুতের সঙ্গে জননিরাপত্তার প্রশ্নও সরাসরি যুক্ত। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে লাইসেন্সের শর্ত, মেয়াদ যাচাই এবং অনুমোদিত সরবরাহব্যবস্থা মেনে চলা প্রয়োজন।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is চ তলম র ত ২১ ল খ?

চ তলম র ত ২১ ল খ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does চ তলম র ত ২১ ল খ matter?

চ তলম র ত ২১ ল খ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.