Banglajibon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

চট্টগ্রাম থেকে মাদকের শেষ শিকড় পর্যন্ত উপড়ে ফেলা হবে: ডিআইজি

Published Agustus 20, 2026 · Updated Agustus 20, 2026 · By Mary Taylor - banglajibon.com

Foto : Mary Taylor - banglajibon.com

চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলায় সর্বাত্মক মাদকবিরোধী অভিযান: শেষ শিকার থেকে চুনোপুঁটি পর্যন্ত আদালতের মুখোমুখি

Banglajibon.com – চট টগ র ম থ ক ম - প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়ন হিসেবে চট্টগ্রাম রেঞ্জের অধীনে থাকা ১১টি জেলায় একযোগে সর্বাত্মক মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। এই অভিযানের মাধ্যমে মাদকের শেষ শিকার থেকে শুরু করে চুনোপুঁটি পর্যন্ত প্রত্যেককে আদালতের সামনে উপস্থিত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে ফেনী পুলিশ লাইনসে জেলা পুলিশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি এই ঘোষণা দেন।

মাদক কারবারি, মাদকসেবী, ডিলার, গডফাদার, অর্থদাতা ও বিনিয়োগকারী—কাউকেই ছাড়া দেওয়া হবে না।

অপরাধ ও মাদকের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক

ডিআইজি তুলে ধরেন, দেশে সংঘটিত অপরাধের অর্ধেকেরও বেশি আসামি কোনো না কোনোভাবে মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত। মানুষকে মাদকের প্রভাব থেকে মুক্ত করা সম্ভব হলে অপরাধের হার অনেকাংশে কমে আসবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মাদকের কারণে মানুষ হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এর ফলে চাচার হাতে ভাতিজি ধর্ষণ বা সন্তানের হাতে বাবা খুনের মতো ঘটনাও ঘটছে।

অভিযানের পরিসর ও অগ্রাধিকার

প্রত্যেক থানা ও ওয়ার্ডে মাদকবিরোধী সমাবেশ আয়োজন করা হবে। ফেনীকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে। মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে বলে ডিআইজি স্পষ্ট করেন।

শিক্ষার্থী, আইনজীবী, ধর্মগুরু ও রাজনীতিবিদের ভূমিকা

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে রাখা এবং তাদের আগামী দিনের নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান ডিআইজি। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মাদকের বিরুদ্ধে একজন করে 'অ্যাম্বাসেডর' হিসেবে গড়ে তুলতে হবে বলে তিনি মত দেন। পাশাপাশি আইনজীবীদের মাদকসেবীদের পক্ষে দাঁড়ানো থেকে বিরত থাকতে, ইমাম ও পুরোহিতদের ধর্মীয় উপাসনালয় থেকে মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরতে এবং রাজনৈতিক নেতাদের সামাজিক আন্দোলনে সম্পৃক্ত হতে আহ্বান জানান তিনি।

অন্যান্য বক্তাদের মন্তব্য

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, মাদক কেবল সামাজিক ব্যাধি নয়। এর কারণে শারীরিক অসুস্থতা, পারিবারিক অশান্তি, দাম্পত্য কলহ, ঋণ বৃদ্ধি, দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিংসহ নানা অপরাধ বাড়ে। এর প্রভাবে দেশের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ফেনী পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার জানান, ফেনীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি রীট হচ্ছে। মাদক নির্মূলে পুলিশ ও জেলা প্রশাসন একযোগে কাজ করবে। তিনি মাদকসংক্রান্ত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার বলেন, শুধু ফেনীতে মাদক বন্ধ করলে হবে না—চট্টগ্রাম বিভাগের সব জেলায় মাদক বন্ধ করতে হবে। ফেনীর চারটি উপজেলা সীমান্তবর্তী হলেও সব মাদক সরাসরি এসব সীমান্ত দিয়ে আসে না। আশপাশের জেলাগুলোও মাদকের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পরিবর্তিত রুট ও গডফাদারদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

সমাবেশের আয়োজন ও শোভাযাত্রা

ফেনী পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে জেলা পরিষদ প্রশাসক এমএ খালেক, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য অধ্যাপক লিটাকত আলী ভূঞা, ফেনী জেলা ও দায়রা আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দীন খাঁন, ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ এনামুল হক খোন্দকারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ফেনীর উপপরিচালকসহ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক দল, শিক্ষক, আইনজীবী, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সমাবেশে অংশ নেন।

সমাবেশের আগে পুলিশ লাইনস থেকে একটি বর্ণাঢ্য মাদকবিরোধী শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে গ্র্যান্ড সুলতান কনভেনশন হলে গিয়ে শেষ হয়।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is চট টগ র ম থ ক ম?

চট টগ র ম থ ক ম is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does চট টগ র ম থ ক ম matter?

চট টগ র ম থ ক ম matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.