খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি: আমের দাম কম, হতাশ চাষিরা
খ গড় ছড় র ম ন কছড় – খাগড়াছড়ি জেলার প্রতিটি উপজেলা কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্রীষ্মকালীন ফল আম্রপালি ছাড়াও বিদেশি জাতের সুস্বাদু আম চাষের খ্যাতি এখানে রয়েছে। মাটি ও আবহাওয়া অনুকূল হওয়ায় এখানে কাঁঠাল, লিচু, আনারস সহ বিভিন্ন ফল ভালোভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। কিন্তু এবার ভরা মৌসুমে এসব ফলের দাম নিয়ে কৃষকদের অপমানজনক স্থিতি হচ্ছে।
আশানুরূপ বড় পাইকারি ব্যবসায়ী আসার অভাবে মানিকছড়ি উপজেলার তিনটহরী কাঁচাবাজার ফল বিক্রি কম হচ্ছে। পূর্বে আম বাজারে সরবরাহ হওয়ায় উৎপাদন বাজার দখল করা হত। কিন্তু এবার রাজধানী ঢাকার সাথে বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকারি ব্যবসায়ী কম আসায় ফলের বিক্রি কম।
বিটন চাকমা বলেন, ‘মানিকছড়ি থেকে আম নিয়ে বাজারে আসা বিটন চাকমা বলেন, ‘চট্টগ্রামসহ সমতলের পাইকারদের আনাগোনা বেশি হওয়ায় আম্রপালি আম বিক্রি করতে এখানে আসি। কিন্তু কাঁচা ফলমূলের দাম এতটাই কম যে আম্রপালি আমের মণ ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বাগান ও পরিবহন থাকায় হয়তো লোকসান সত্ত্বেও টিকে আছি। কিন্তু যাঁদের নিজস্ব পরিবহনের ব্যবস্থা নেই, তাঁরা লোকসানে পড়েছেন।’
তিনটহরী বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদ আলম বলেন, ‘বাজারটিতে সূর্যোদয়ের আগে শুরু হয়ে রাত প্রায় ১১টা পর্যন্ত ফল বেচাকেনা চলে। প্রতিদিন এক থেকে দেড় কোটি টাকার লেনদেন হয়। প্রতিবছর ৩০ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় হয়। কিন্তু এবার ফলের দাম অনেক কম।’
খাগড়াছড়ি জেলার কৃষি কর্মকর্তা জহির রায়হান বলেন, ‘খাগড়াছড়ির আম বাজারে উঠতে দেরি হওয়ায় সমতল অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের আমও রাজধানীর ফলের আড়ত দখল করেছে। ফলে পাহাড়ি ফল সমতল দখলে নিতে পারেনি।’ এই আড়তে এলাকার কৃষকদের আরও কষ্ট হচ্ছে।
আরেক আড়তদার মীর হোসেন বলেন, ‘ফলের দাম স্মরণকালের নিম্নমুখী। আম্রপালির দাম এখন প্রতিমণ ৭০০ থেকে ৮০০ বা সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে; যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায়। ব্যানানা ও কিউজাই আম বর্তমানে প্রতিমণ ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; যা গত সপ্তাহেও ছিল ৪ হাজার ৮০০ টাকা। ফলে এই মূল্য দিয়ে বাগানমালিকেরা পুঁজিও তুলতে পারবেন না।’
মানিকছড়ি উপজেলার কৃষি উদ্যোক্তা রিম্রাচাই মারমা বলেন, ‘আমি এক
