বালু উত্তোলনের অবৈধ কার্যক্রমে হবিগঞ্জের আশ্রয়ণ প্রকল্প কম্পিত হচ্ছে
Banglajibon.com – আশ রয়ণ ঘ ষ ব ল উত – হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বনগাঁও সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প বরাবর অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এতে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে প্রকল্পে বসবাস করছে আশ্রয়ন প্রকল্পের মালিকানাধীন ১৬০টি ভূমিহীন পরিবারের বাসস্থান। স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, দুই মাস ধরে প্রশাসনের নাকের ডগায় বালু উত্তোলন চলছে বলে জানা গেছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার নেওয়া হচ্ছে না।
অবাধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিদের বিশেষ প্রভাব খাটিয়েছে
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী বনগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প ছাড়া সরকারি বিধিনিষেধ অগ্রাধিকার দিয়ে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন চলছে। সে কার্যক্রমে আশ্রয়ন প্রকল্প ঘেঁষে জমি ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে নদীতীর দুর্বলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা ও আবাসিক এলাকা থেকে কমপক্ষে ১ কিলোমিটার দূরে বালু উত্তোলন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু প্রকল্পের পাশ থেকে বালু তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের ভাইস প্রেসিডেন্ট তোফাজ্জল সুহেল বলেন, ‘ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয়, তবে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসরত পরিবারগুলো মাথা গোঁজার ঠাঁই হারাবে।’
নদীতীর স্থানীয় কৃষিজমি ও পরিবেশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আশ্রয়ন প্রকল্পের সরদার আব্দুল জলিল অভিযোগ করেন, প্রকল্পের নিকটে ইজারাদারের জমি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সেখানে বালুর ডিপো গড়ে তোলা হয়েছে। একাধিকবার প্রতিবাদ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
রাজার বাজার বালুমহালে বর্তমানে ইজারাদার স্বামী সেলিম মিয়া পরিচালনা করছেন রাহী ট্রেডার্স। চলতি এস সনের জন্য তারা প্রায় ২৭ কোটি টাকা বরাবর ইজারা পেয়েছে। এতে প্রকল্পের সীমানা ভঙ্গ করে বালু উত্তোলন চলছে। স্থানীয় আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বিএনপি সভাপতি বাবরু মিয়া, জামায়াতের সভাপতি মোস্তফা হোসেন মস্তু এবং আওয়ামী �

