গার্লস কলেজে চাকরি করায় জামায়াত নেতা পদ হারিয়েছেন
গ র লস কল জ চ কর – গার্লস কলেজে চাকরি করায় কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি পদ থেকে সুজাউদ্দিন জোয়ার্দার অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে শহর জামায়াতের আমির এনামুল হক নতুন সেক্রেটারি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ খন্দকার এ কে এম আলী মহসিন, যারা পত্রিকাকে সূত্রে এই পরিবর্তন প্রমাণ করেছেন।
পরিবর্তনের বিষয়টি কেন্দ্রীয় সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুসারে
১৩ জুলাই প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করা হয়েছে যে কেন্দ্রীয় কমিটি সারা দেশের রুকনদের জন্য নতুন নীতি গৃহীত হয়েছে। গার্লস কলেজে চাকরি করায় কোনো পুরুষ সদস্য রুকন বা দায়িত্বশীল পদে থাকতে পারবেন না এ নিয়ম প্রবর্তন করা হয়েছে। এ কারণে কুষ্টিয়া জেলা শাখার সেক্রেটারি পদে এনামুল হককে নির্বাচন করা হয়েছে।
সুজাউদ্দিন জোয়ার্দার বলেন, “আমি গার্লস কলেজে চাকরি করার কারণে পদ হারালাম। গঠনতন্ত্রের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেটি সম্ভব ছিল না। কিন্তু আমার মনে কোনো ক্ষোভ বা কষ্ট নেই। নতুন কমিটির নীতি অনুযায়ী আমি সেক্রেটারি পদ থেকে অব্যাহতি পেতে পারব না।”
এ কর্মসূচি কুষ্টিয়া জেলার সারা দেশের জামায়াতে ইসলামীর রুকনদের প্রতি সমান প্রয়োগ করা হবে। গার্লস কলেজে চাকরি করায় পুরুষ নেতাদের পদ হারানোর ঘটনা প্রাথমিক পরিবর্তনের সংকেত হতে পারে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দায়িত্বশীল পদে কোনো নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে তার পদ প্রত্যাহার করা হবে। কিন্তু সুজাউদ্দিন জোয়ার্দার কথায় এটি আবার স্বপদে বহাল রাখা হবে এমন নীতি নেওয়া হয়েছে।
গার্লস কলেজে চাকরি করার সিদ্ধান্তের প্রভাব
এই পরিবর্তনের প্রতি প্রতিক্রিয়া সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ করা হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলার জামায়াত সংগঠনের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে এনামুল হক বলেন, “গার্লস কলেজে চাকরি করায় সুজাউদ্দিন জোয়ার্দার পদ হারানো সাধারণ বিধি অনুযায়ী ঘটেছে। কুষ্টিয়া জেলা শাখার সদস্যদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আরও তথ্য দিলেন খন্দকার এ কে এম আলী মহসিন।
গার্লস কলেজে চাকরি করায় পুরুষ নেতা পদ হারানো নীতি গার্লস কলেজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে সংঘটিত হয়েছে। এ বিষয়টি কুষ্টিয়া জেলা�
