গঙ্গা নদীর পানি পেতে জাতিসংঘ-বিশ্বব্যাংকের তত্ত্বাবধানে কমিশন দাবি
গঙ গ নদ র প ন প – গঙ্গা নদীর পানি পরিচালনার সংকট ক্রমাগত গুরুতর হতে থাকায় রাজশাহী নগরে বড়কুঠি পদ্মার পাড়ে গত শনিবার বিকেলে আয়োজিত গণ জমায়েতে স্পষ্ট করে ঘোষণা করা হয়েছে যে ভারত সরকারের ফারাক্কা বাঁধ ও অন্যান্য প্রতিহন কর্মসূচির কারণে বাংলাদেশে গঙ্গা নদীর পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এই বিষয়ে সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল এবং বিশেষজ্ঞদের মতে একটি আঞ্চলিক নদী কমিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের রাজশাহী সভাপতি আইনজীবী এনামুল হক সভাপতিত্ব করেন।
আয়োজনের প্রক্রিয়া ও আকাশে উপস্থিত বক্তারা
গণ জমায়েতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক এরশাদ আলী ঈশা, ড্যাবের রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি ডা. ওয়াসিম হোসেন, নদী গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এম রফিকুল ইসলাম এবং আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল মজুমদার বক্তব্য প্রদান করেন। আয়োজনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বক্তারা জানান যে এই আন্দোলনটি গঙ্গা নদীর পানি সম্পর্কে জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের তত্ত্বাবধানে বিশ্বজনীন কমিশন গঠনের প্রস্তাব উপস্থিত করার উদ্দেশ্যে আয়োজিত।
সভায় আরও বলা হয়েছে যে ভারতের ফারাক্কা বাঁধ দিয়ে প্রতি বছর বাংলাদেশের গঙ্গা নদীর পানি প্রবাহ কমে যাচ্ছে। এর ফলে সুন্দরবনের অতিরিক্ত লবণাক্ততা ও জীবনযাত্রা পরিবর্তন ঘটছে। এতে গভীর পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা রয়েছে, যার জন্য বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় আন্তর্জাতিক কমিশন গঠন করা হবে।
স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে গঙ্গা নদীর পানি বিভাজন নিয়ে আরও গুরুতর বিতর্ক রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নদী প্রবাহ বিভাজন নিয়ে বিতর্ক ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে আসছে, যার কারণে বাংলাদেশে প্রতিদিন বেড়াচ্ছে পানি সংকট। এটি গৃহ নির্মাণ, খাদ্য উৎপাদন এবং মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে গুরুতর আশঙ্কা জাগাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে এটি কেবল গঙ্গা নদীর পানি সংকট নয়, তার ফলে সমগ্র জীবনযাত্রার মান প্রভাবিত হচ্ছে।
গৃহীত কার্যক্রম ও আশা প্রকাশ
গণ জমায়েতে স্পষ্ট করে ঘোষণা করা হয়েছে যে আঞ্চলিক নদী কমিশন গঠনের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করা হবে। এই কমিশনটি গঙ্গা নদীর পানি বিভাজনের জন্য গৃহীত পদক্ষেপের নির্দেশ দেবে। আন্দোলনের সভাপতি এনামুল হক বলেন, “গঙ্গা নদীর পানি বিভাজনের কারণে বাংলাদেশের জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটি মাত্র পরিবেশ সংকট নয়, তা আর্থিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলছে।”
বক্তারা আরও জানান যে একটি আন্তর্জাতিক কমিশন গঠনের মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নদী অববা�
