উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবাসন সংকট প্রকট
উচ চ শ ক ষ প রত – উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি চরম আবাসন সংকটে পড়েছে। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি হলেও আবাসন বিধানের পরিমাণ অত্যন্ত সীমিত। ফলে হাজার হাজার শিক্ষার্থী মেস বা ভাড়া বাসায় আবাসন বিধান হিসেবে বাধ্য হতে হয়।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সংকট ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে আবাসন সুবিধা পাওয়া যায় মাত্র তিনটি হলের পরিমাণে ৮২৪ জনের। যার মানে কোনও হলে থাকার সুযোগ পায় না শিক্ষার্থীদের মোট শতাংশের নিচে।
মেস ভাড়া, খাবার আর যাতায়াতে মাসে অনেক টাকা খরচ হয়। হল পেলে অন্তত খরচ কিছুটা কমত। কিন্তু হলে তো সিট নাই।
মেসে পড়াশোনার পরিবেশ সব সময় থাকে না।
রংপুর নগরীর শতবর্ষী কারমাইকেল কলেজে পরিস্থিতি বিপরীত। ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৮টি বিভাগে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। এর বিপরীতে সাতটি হলে মাত্র ১ হাজার ২৩২ জনের আবাসন বিধান রয়েছে। তাঁর মধ্যে ছাত্রীদের জন্য মাত্র ৩০০ সিট প্রস্তুত। সেগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে সুযোগ সুবিধা নেই।
সরকারি কলেজে নির্বাচন ও পরিচালনা সংকটে পড়েছে
রংপুর সরকারি কলেজে ১৪টি বিভাগে ১১ হাজার শিক্ষার্থী শিক্ষালাভ করলেও এখানে একটি ছাত্রীহলে মাত্র ১২০টি সিট রয়েছে। যদিও একটি ছাত্রাবাস থাকলেও এটি পরিত্যক্ত হয়েছে। তবুও তিন-চার জন ছাত্র সেখানে ঝুঁকি নিয়ে থাকেন। দুই শতাংশের কম শিক্ষার্থী এখানে আবাসন সুবিধা পান।
বেগম রোকেয়া সরকারি কলেজে সংকট বৃদ্ধির পরিচয়
বেগম রোকেয়া সরকারি কলেজে ৭ হাজার নারী শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। কিন্তু দুটি হলে মাত্র ৪০০ সিট প্রস্তুত। যার মধ্যে একটি ঝুঁকিপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. শওকাত আলী বলেন, আমরা মাস্টারপ্ল্যান জমা দিয়েছি। সেখানে ছেলে এবং মেয়েদের জন্য আরও বেশ কিছু হল বরাদ্দ আছে।
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংকট বর্তমান
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্�
