মৌলভীবাজার: ম লভ ব জ র বনে আইন ভেঙে পাকা ঘর নির্মাণের আরো প্রকৃতি
বন সংরক্ষণে প্রতিবাদ উঠেছে
ম লভ ব জ র – মৌলভীবাজার জেলার সংরক্ষিত বনভূমি হিসেবে পরিচিত ম লভ ব জ র এলাকার অবৈধ পাকা ঘর নির্মাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সংকটে প্রায় ৫৩ হাজার একর বন এলাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। বাসিন্দারা বন আইন অমান্য করে তাদের বাসস্থান গড়ে তুলছেন যদিও সংরক্ষিত এলাকা থেকে পাকা স্থাপনা বিধিবদ্ধ ভাবে নির্মাণ করা হয় না। এতে জীববৈচিত্র্যের বিপন্নতা এবং প্রাণী আবাসস্থলের হ্রাস হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে যে রাজকান্দি রেঞ্জ ও কুলাউড়া রেঞ্জে বন অবৈধ ভাবে সংকীর্ণ করে তুলছে। এই অবৈধ কাজগুলো কেন্দ্রীয় বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া চালানো হচ্ছে। আইন অনুযায়ী ম লভ ব জ র বনে পাকা ঘর নির্মাণের অনুমতি নেই, কিন্তু কার্যত বন বিভাগ এই সমস্যার সমাধান করতে পারছেন না।
বন বিভাগ জানায় যে মৌলভীবাজার জেলায় প্রায় ৫৩ হাজার একর বন আছে। বিভিন্ন রেঞ্জে হাজার হাজার পরিবার বসবাস করছে। তবে পাকা ঘর নির্মাণ করতে কেউ সাহস করছে না বলে জানান সালাম আহমেদ ও শাহিদ মিয়া। তাঁদের মতে বন আইন ভেঙে ঘর তৈরি করছে কিছু বাসিন্দারা।
বনে পাকা ঘর ও পাকা রাস্তা নির্মাণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া নির্মাণ কাজগুলো আইন অমান্য হিসেবে গণ্য। এতে ম লভ ব জ র বনের প্রাকৃতিক সম্পদ প্রতিদিন হ্রাস পেয়ে যাচ্ছে।
পরিবেশ আন্দোলনের মাধ্যমে আইন আরো জোর করা হবে
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের জাতীয় পরিষদের কর্মকর্তা আ স ম সালেহ সোহেল অভিযোগ করেন যে ম লভ ব জ র বন অবৈধভাবে আক্রান্ত হচ্ছে। এতে জীববৈচিত্র্যের ধ্বংস এবং পরিবেশ পরিবর্তন হচ্ছে। তিনি আবার বলেন যে বন বিভাগ এসব কাজের প্রতি কম কর্মকর্তা প্রতিবাদ করছেন।
সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রহমান দাবি করেন যে ম লভ ব জ র বনে পাকা স্থাপনা তৈরি করা যাবে না। তিনি আরও বলেন যে অনুমতি ছাড়া ঘর নির্মাণ করলে বন বিভাগ শক্ত ব্যবস্থা নেবে। আইন অমান্য করা সত্ত্বেও বন এলাকার সংরক্ষণে কোনো প্রতিক্রিয়া নেয়া হচ্ছে না বলে মনে করছেন তিনি।
বনে অবৈধ ঘর নির্মাণ করতে থাকলে ম লভ ব জ র বনের প্রাণী আবাসস্থল ধ্বংস হবে। কিছু রেঞ্জে বন বিভাগের অনুমতি থাকে আবার কোথাও নেই। এতে প্রাণী আবাসস্থলে গুরুতর ক্ষতি হতে পারে।
বন বিভাগের দৃঢ় ব্যবস্থা ছাড়া ম লভ ব জ র বন ধ্বংস হবে আরও ক্ষুদ্র সম্পদ হিসেবে পরিচিত হয়ে যাবে। বনে পাকা ঘর নির্মাণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে যার কারণে বন সংরক্ষণের ব্যবস্থা ভেঙে গেছে। এতে জীববৈচিত্র্য আরও
