আনোয়ারায় টানা বৃষ্টিতে খাল খননের মাটি ও পানি ঘরে ঢুকছে, ভোগান্তি
আন য় র য় ট ন ব – চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় ১০ হাজার পরিবার পুরোপুরি ভোগান্তিতে পড়েছে। বিশেষ করে কান্দরিয়া খালপাড়ে বাসিন্দারা বেশি বিপাকে পড়েছেন। উপজেলার কান্দরিয়া খাল পুনঃখননের পর খননের মাটি সড়কে স্তূপ করে রাখা হয়েছে যা অপরিকল্পিতভাবে সামনে ঢুকে পড়ছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে দেখা গেছে বৈরাগ আমানউল্লাহ পাড়া থেকে চাতরীর টানেল মোড় পর্যন্ত বৃষ্টিতে পানি ও মাটি একাকার হয়ে গেছে।
কান্দরিয়া খাল পুনঃখনন করা হয় পানি নিষ্কাশনের জন্য, কিন্তু মাটি দূরে সরিয়ে রাখা হয়নি। খালের পাড় ও সড়কে স্তূপ করে মাটি রেখে দেওয়া ফলে সামনে ঢুকে পড়ছে। পানির তোড়ে মাটি গলে কাদায় সয়লাব হয়েছে যা অনেক কাঁচা ও পাকা ঘরে হাঁটু পর্যন্ত প্রবেশ করেছে। এতে আসবাব ও খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হচ্ছে। রান্নাঘরে পানি জমে থাকায় অনেক পরিবার অন্য বাড়িতে রান্না করতে হচ্ছে।
পাড়ে জমে থাকা মাটি ধুয়ে আর খালের উপচে পড়া নোংরা পানি এখন আমাদের ঘরের ভেতর ঢুকে পড়েছে। সবার জন্য একটি নতুন পরিবেশ তৈরি হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বৈরাগ ইউনিয়নের বাসিন্দারা মোহাম্মদ মুবিন, মোহাম্মদ হৃদয়, নুরুল হক, পারভেজ, আমিনুল হক, মোহাম্মদ হাকিম, তৌকির উদ্দিন হৃদয়, রায়হান ও মোহাম্মদ সোহেলসহ একাধিক ব্যক্তি। তাঁরা বলেন, খাল খননের মাটি সড়কে রাখায় এখন তা আমাদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। খাল খননের কাজ শেষ হওয়ার পর অপরিকল্পিতভাবে মাটি স্তূপ করে রাখার ফলে টানা বৃষ্টির সাথে পাহাড়ি ঢলে এসব কাদাপানি ঘরে ঢুকে পড়ছে।
পানিবন্দী সুজারপাড়া, আলী মিয়া সওদাগর বাড়ি, আমিনুর বাড়ি, আবুল বশর ডাক্তারের বাড়ি, পাঁচ সিকদার বাড়ি ও কাজী বাড়ি সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে ঘটছে। বাসিন্দারা জানান, ঠিকাদার ও নিয়োজিত ব্যক্তিরা সামনে দেখা গেছে যে খাল খননের মাটি গাছপালা অপসারণ না করে কেবল অল্প কাদা তুলে সড়কে স্তূপ করে রেখেছেন। সড়কে স্তূপ করা মাটি পরিস্থিতি খাল থেকে আসছে যে পাহাড়ি ঢলে বৃষ্টি সবার ঘরে ঢুকে পড়ছে।
কান্দরিয়া খালটি পুনঃখনন প্রকল্পের সভাপতি বৈরাগ ইউনিয়নের মহিলা ইউপি সদস্য বুলবুল আকতারের সঙ্গে মোবাইল ফোন
