বিছানায় নামাজ আদায়ে সময় যে সতর্কতা জরুরি
ব ছ ন য় ন ম জ – নামাজ ইসলামের পঞ্চম পঞ্চস্তম্ভ হিসেবে পরিচিত এবং প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ হিসেবে পরিচিত। কোরআনের অনুসারে, মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো, জাকাত আদায় করো এবং রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো।’ (সুরা বাকারা: ৪৩)
কোনো কারণে জামাত ছুটে গেলে বা অসুস্থতা ও বিশেষ প্রয়োজনে ঘরে নামাজ আদায় করতে হয়। এই বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যখন তুমি সিজদা করবে, তখন কপাল ভালোভাবে জমিনের সঙ্গে লাগাবে, যাতে করে জমিনের কাঠিন্য অনুভব হয়।’ (মুসনাদে আহমাদ: ২৬০৪) সিজদার সময় কপাল ও নাক যেন জমিনের সঙ্গে অনুভব করা যায় তার জন্য বিশেষ করে খেয়াল রাখতে হবে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জামাতে নামাজ আদায় করা একাকী নামাজ আদায় করার তুলনায় অনেক বেশি ফজিলত বহন করে।’ (সহিহ বুখারি: ৬৪৫)
নারীদের জন্য ঘরে নামাজ আদায় করা উত্তম। কিয়ামতের দিন বান্দার কাছ থেকে প্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে, যা এই ইবাদতের গুরুত্বকে ফুটিয়ে তোলে। কোনো ওজর বা অপারগতা ছাড়া জামাত বর্জন করা বড় গুনাহের কাজ।
ইসলামি শরিয়তের আলোকে, নামাজের অন্যতম ফরজ শর্ত হলো ‘নামাজের জায়গা পবিত্র হওয়া’। অতএব, বিছানা, তোশক, জাজিম বা চাদর যদি সম্পূর্ণ পবিত্র (নাপাকিমুক্ত) হয়, তবে সেখানে নামাজ আদায়ে কোনো বাধা নেই। বিছানার ওপর নামাজ আদায় করা নিষিদ্ধ নয়, তবে সিজদা সময় কপাল ও নাক যেন জমিনের সঙ্গে অনুভব করা যায় তার জন্য বিশেষ করে খেয়াল রাখতে হবে। আর কোনো সমস্যা না থাকলে বিছানার চেয়ে সমতল ও শক্ত মেঝেতে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ আদায় করাই সর্বোত্তম ও নিরাপদ।
