ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে এমপিকে ঢাকঢোল বাজিয়ে অভ্যর্থনা
ছ ট র দ ন শ ক – পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেনকে ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে অভ্যর্থনা দেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির পরিচিতি সভা ছিল। তখন তিনি সভায় যোগদানের জন্য শিক্ষার্থীদের সড়কের দুইপাশে দাঁড় করিয়ে ঢাকঢোল বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি বিদ্যালয়ের ভেতরে আয়োজিত পরিচিতি সভায় অংশ গ্রহণ করেন। সংসদ সদস্যের আগমনে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে স্থানীয় সম্প্রদায় তাঁকে একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজনে অভ্যর্থনা করে। এ ঘটনা প্রসঙ্গে মনে করা হচ্ছে যে শিক্ষার্থীদের সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করা হচ্ছে প্রতিকূল পরিবেশে।
শিক্ষামন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার বিরোধিতা
শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া সংসদ সদস্যের উপর শিক্ষামন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার বিরুদ্ধে করা হয়েছে। সংসদ সদস্যকে খুশি করতে আয়োজন করা হয়েছে কারণ শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া সরকারের নির্দেশনার মোকাবিলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ ঘটেছে। তাঁদের দাবি, ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে ঢাকঢোল বাজিয়ে অভ্যর্থনা দেওয়া সরকারী নীতির বিরুদ্ধ। এমপি হোসেন এ ঘটনা বাদ দেওয়া হয়েছে যে ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে অভ্যর্থনা অনুমোদিত হয়েছে। সংসদ সদস্যের এই আয়োজন দ্বারা স্থানীয় জনগণ সত্যিই চিন্তিত হয়েছেন।
একজন অভিভাবক বলেন, ‘ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে অভ্যর্থনা দেওয়া ঠিক হয়নি। সুতরাং ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া সত্যিই দুঃখজনক। তাঁদের বিদ্যালয় ভেতরে দাঁড় করিয়ে অভ্যর্থনা দিলে ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ নিরাপদ হত।’
ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে অভ্যর্থনা দেওয়া ঘটনাটি আলোচনার মূল বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ আয়োজন করেছে যাতে ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হবে। অবশেষে ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া নিষিদ্ধ করেছে শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর নির্দেশনার বিরুদ্ধে সংসদ সদস্যের বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজ করেছে। সুতরাং ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে অভ্যর্থনা দেওয়া ঘটনা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ছুটির দিনে শিক্ষার্থীদের কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতার অংশ না করে তাদের জন্য একটি সুন্দর শি�
