Education

শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়া টাকার অপচয় সহ্য করা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা খাতে অপচয় সহ্য করা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী মিলন

শ ক ষ খ ত বর দ – ২০০১ সালে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আগের সরকার ব্যবহারে কোনও সঠিকতা ছিল না। তিনি আজ রাজধানীতে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে অনুষ্ঠানে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের অপচয় করতে দেবেন না। শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেওয়া টাকার সম্পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে বলে তিনি আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী এই বছর দেশের জিডিপির দুই শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করেছেন। তিনি এটি দুই শতাংশ থেকে পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এতে শিক্ষকদের যোগ্যতা এবং প্রশিক্ষণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্ত্রী জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন পদ্ধতিতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এনটিআরসিএ শূন্য পদে সরাসরি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক, প্রভাষক ও ট্রেড ইন্সট্রাকটর নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আপিল বিভাগ আমাদের আপিল গ্রহণ করেছে এবং আমরা ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করতে পারব। প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক-প্রভাষক অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি পয়সা সঠিকভাবে ব্যয় করতে হবে। বিভাগে কোনো অব্যবস্থাপনা বা অপচয় বরদাশত করা হবে না।’

৫ লাখ ৪৪ হাজার শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি হলেও সাধারণ ধারার প্রায় ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে না বলে মন্ত্রী জানান। কারিগরি শিক্ষায় ৫৪ শতাংশ এবং মাদ্রাসাশিক্ষায় ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। তিনি বলেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থার সম্পর্কে আমি নিজেকে অনেক পিছিয়ে আবিষ্কার করেছি।’

শিক্ষামন্ত্রী আপিল বিভাগের ২০১৭ সালে দায়ের করা মামলার সমাধানের জন্য অনেক বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল বলে জানান। তিনি আরও বলেন, ‘সরকার এসব মামলাগুলো সমাধানের ব্যাপারে সিরিয়াস ছিল না।’

আজ সকালে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর মন্ত্রীদের পরিদর্শনে ঢুকে পরীক্ষার্থীদের বিরক্তি হতো বলে মন্ত্রী জানান। এখন সবাই এই কক্ষে বসে আছে বলে তিনি তুলে ধরেন।

ইউনেসকো আয়োজিত ‘গ্লোবাল পার্টনারশিপ এডুকেশন সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট অ্যান্ড মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বক্তব্য দেন। সে

Leave a Comment