Business

করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি ও টিআইএন বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহারসহ যেসব সংশোধনী আনা হলো

করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি এবং টিআইএন বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার

করম ক ত আয় র স ম – করম ক ত আয় র স সংশোধনী আনার মাধ্যমে সরকার বিভ্রান্তি দূর করার প্রয়াস চালিয়েছে। বিলটি চূড়ান্তভাবে সংসদে পাস হওয়ার পর করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং টিআইএন সনদ জমা দেওয়ার বাধ্যতা বাতিল করা হয়েছে। এই পরিবর্তন সাধারণ মানুষের কর বোঝা কমানোর উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত হয়েছিল।

করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি বিস্তারিত বিবরণ

আনুষ্ঠানিক পরিবর্তনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী আগামী দুই অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সর্বোচ্চ সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে ৪ লাখ টাকায়। এটি পূর্বের ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার স্পষ্ট করে বলেছে যে এই পরিবর্তন সাধারণ মানুষের জন্য ব্যবহারিক সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পরিবর্তনের ফলে তিন বছর পর এই সীমা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৫ লাখ টাকায় পৌঁছবে। পরিবর্তনগুলি সম্ভবত সরকার কর বোঝার হার কমানোর উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত হয়েছে।

টিআইএন বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার বিস্তারিত বিবরণ

টিআইএন সনদ জমা দেওয়ার বাধ্যতা বাতিলের প্রস্তাব বিশেষ আগ্রহ জন্মাচ্ছে। বিলের পরিবর্তন দেশের জমি মৌজা মূল্যে নিবন্ধিত হওয়ায় করদাতাদের হয়রানি দূর করতে প্রয়োজন হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য বিনিয়োগ তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন একটি সুবিধার দিকে তাকাচ্ছে।

“কর বোঝার হার কমানোর জন্য টিআইএন বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।”

বিশেষ সহায়তা ও কর নীতি পরিবর্তন

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই সংশোধনীর মাধ্যমে কর নীতি সামঞ্জস্য করেছেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর হার সংশোধন করা হয়েছে যার ফলে ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ কর হার কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই পরিবর্তন পার্বত্য তিন জেলার মানুষ এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য করমুক্ত করেছে।

পরিবর্তনগুলি দেশের বিভিন্ন জেলায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমাজ বৈষম্য কমানোর উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত হয়েছে। এই সংশোধনী কর বোঝার হার সম্পর্কে মানুষের মনের ভাবনা পরিবর্তন করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

Leave a Comment