রামপুরা হত্যাকাণ্ড: তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড এবং একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
র মপ র হত য ক ণ – রামপুরা হত্যাকাণ্ড মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন, একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে ২০ বছরের জন্য কারাদণ্ড করেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত ট্রাইব্যুনাল-১ এর রায় আজ রোববার (২৮ জুন) ঘোষণা করা হয়েছে। এই মামলায় রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী এলাকায় ঘটে যাওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রতিবেদন সাক্ষরতা করা হয়েছে ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যদের দ্বারা।
মামলার আসামি কারো সাবেক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন
ট্রাইব্যুনাল এই মামলায় কারাগারে থাকা রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের জন্য কারাদণ্ড দিয়েছেন। মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয় ২০২৪ সালের ১৩ জানুয়ারি এবং যুক্তিতর্ক শেষ হয় ৩ ফেব্রুয়ারি। এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল এর আগে গত বছরের ৩১ জুলাই কার্যালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করে।
মামলার সময়সূচী এবং প্রমাণের প্রয়োগ
রামপুরা হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল গত বছরের ১৯ জুলাই দুপুরে। তখন মো. নাদিম হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই দিন বনশ্রী এলাকায় ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে গুলি করে গুরুতর আহত করা হয়েছিল। এ ঘটনায় সাত বছর বয়সী বাসিত খান মুসার মাথা ভেদ করে গুলি করা হয়। এই ঘটনার পর থেকে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের জন্য প্রসিকিউশন পক্ষ ডিজিটাল প্রমাণ দাখিল করে।
ট্রাইব্যুনালের রায়ের সময়সূচী সম্পর্কে
মামলার রায় ঘোষণার জন্য সময় পরিবর্তন হয়েছিল। গত ৪ মার্চ রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করা হয়। কিন্তু প্রসিকিউশনের আবেদনের কারণে রায় তখন ঘোষণা করা হয়নি। আরও পরিকল্পনা করা হয় এবং ১৫ জুন এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য নতুন করে দিন ধার্য করা হয়।
ট্রাইব্যুনাল মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর। সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয় ২৩ অক্টোবর থেকে। প্রসিকিউশন দ্বারা তদন্ত প্রতিবেদন সাক্ষরতা করে এবং আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয় ৭ আগস্ট। রামপুরা হত্যাকাণ্ড একটি গুরুতর সংঘটন হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত চালানো হয়।
মামলার রায় বিচার পর্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছ
