প্রতিবন্ধী ভাতা বন্ধ করার দাবিটি সত্যিকার অর্থে সঠিক নয়
প রত বন ধ ভ ত বন – সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তার পেয়েছে একটি ভিডিও, যাতে বলা হচ্ছে সরকার প্রতিবন্ধী ভাতা বন্ধ করেছে। এই দাবিতে বাকি ও শ্রবণপ্রতিবন্ধীদের মধ্যে একটি মূল অভিযোগ উঠে এসেছে। গোটা জাতির বুক ফেটে যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়, কিন্তু তারা মুখে কিছু বলতে পারছে না। হৃদয়ে তীব্র ক্রন্দন চেপে রাখা সম্ভব নয়—এমন কথা ভিডিওতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিষয়টি প্রথম আলোচিত হয়েছিল ১১ মে, যখন একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। সম্প্রতি ভিডিওটি প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার বার দেখা হয়েছে। এতে সম্পর্কিত পোস্টের কারণে নেটিজেনদের মধ্যে ভুল বুঝতে হয়েছে। কয়েকটি পোস্ট অনুসন্ধান করা হয়েছে, যাতে বলা হয়েছে প্রতিবন্ধীদের বৃদ্ধি প্রয়োজন।
প্রতিবন্ধী ভাতা বৃদ্ধি এবং পরিবহন দাম কমানোর দাবি
ভিডিওতে দেখা যায় শ্রবণপ্রতিবন্ধীরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করছে। অপর একজন ব্যক্তি ইশারা ভাষায় বলছেন, ‘আমাদের সংসার চলে না বলে ২৫০০ টাকার ভাতার দাম বেশি। আরও বেশি দাম হলে আমরা কীভাবে চলব? সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে অপর একজন বলছেন, ‘অপরাধ করে আমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা হয়নি। আগামী দিনগুলোতে হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়, কিন্তু আমরা তাদের বিশ্বাস করতে পারছি না।’
“প্রতিবন্ধী ভাতা বন্ধের দাবিটি ভিত্তিহীন।”
সরকার প্রতিবন্ধী ভাতা বন্ধ করেছে কি না তা জানতে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক টিম সমাজসেবা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক শিলা রানী দাসের সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করে। তিনি জানান যে ভাতা বন্ধের দাবি সত্যিকার অর্থে সঠিক নয়। প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় বধির ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ হয়েছে, এবং প্রতিমন্ত্রী প্রতিবন্ধীদের সমস্যা সমাধানে আগ্রহী। সরকারের নির্দেশনায় ভাতার আওতা আরও বাড়ানোর কাজ চলছে।
যে ভিডিওতে শ্রবণপ্রতিবন্ধীদের আন্দোলন বর্ণিত হয়েছে, তা কেবল ভাতা বৃদ্ধি ও গণপরিবহনে অর্ধেক ভাড়াসহ ১৫ দফা দাবির প্রতিবাদ নয়। এই সূত্র ধরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিমন্ত্রী প্রতিবন্ধীদের কাছে গুরুতর ক্ষতি সৃষ্টি হয়নি।
