Bangladesh

মহাসড়ক ঘেঁষে ভাগাড় ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ

মহাসড়কের পাশে ময়লা স্তূপ গড়ে উঠছে তীব্র দুর্গন্ধ

মহ সড়ক ঘ ষ ভ গ ড় – ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে দুটি এলাকায় বহু বছর ধরে কালকিনি ও রাজৈর পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা সরবরাহ করা হচ্ছে। পরিবেশ দূষণ হচ্ছে এবং প্রতিদিন সকালে এই তিনটি ওয়ার্ডের বর্জ্য ভ্যানগাড়িতে বাহন করে এখানে স্থানান্তরিত হয়। পরে ট্রাকে করে রাজৈর-কোটালীপাড়া সড়কের চৌয়ারীবাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সরু মহাসড়কে ময়লা ভরা এলাকায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে বেশি বেঁকে আসছে। নোংরা আবর্জনাভরা এই স্থানে মানুষের জন্য আরো কষ্টকর হয়ে উঠেছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, মহাসড়কের পাশে ময়লা ফেলা বন্ধ করতে বারবার আহ্বান জানালেও কোনো কার্যকর সমাধান মেলেনি।

দুর্গন্ধে যানবাহনের যাত্রীদের কষ্ট হচ্ছে

কালকিনির দক্ষিণ গোপালপুরের বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, দুর্গন্ধের কারণে এখানে থাকাই দায়। নাক-মুখ চেপে চলাচল করতে হয়। মহাসড়কের পাশে ময়লার স্তূপ দেখতেও খারাপ লাগে।

‘আমি প্রতি সপ্তাহে বরিশাল থেকে চট্টগ্রাম, ঢাকা ও খুলনা মালপত্র আনা-নেওয়া করি। এই এলাকায় এলে দুর্গন্ধে খুব কষ্ট হয়। মহাসড়কের পাশে ময়লার স্তূপ দেখতেও খারাপ লাগে।’ – ট্রাকচালক মকবুল হোসেন

অটোরিকশাচালক সৈকত হাসান বলেন, এই পথ দিয়েই যাত্রী আনা-নেওয়া করি। এখান দিয়ে চলাফেরা করতে খুব কষ্ট হয়। মাঝে মধ্যে যাত্রীরাও বমি করে দেয়। বাতাসে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ ভেসে আসে।

রাজৈরের বাসিন্দা সোহেল হাসান বলেন, ‘মহাসড়কের পাশে এভাবে ময়লা ফেলা ঠিক না। ময়লার ভাগাড় দ্রুত অপসারণের দাবি জানাই।’

পৌরসভার ময়লা সমস্যা সমাধানে আশা ধরা পড়ছে

মাদারীপুর সদর উপজেলার বড়মেহের এলাকায় আগেও মাদারীপুর পৌরসভার ময়লা ফেলা হয়েছে। কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর স্থানীয়দের চাপে পৌর কর্তৃপক্ষ এখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করেছিল।

রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহফুজুল হক বলেন, ‘আমাদের পৌরসভার ময়লা ফেলার কোনো জায়গা নেই। ময়�া ফেলার জন্য জমি কেনার ব্যাপারে কথা হচ্ছে।’

কালকিনি পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ-উল-আরেফিন বলেন, ‘ময়লা ডাম্পিং করার জন্য জায়গা কিনতে চাইলেও তা পাওয়া যায�

Leave a Comment