স্ত্রী স্বামীকে হত্যা করে শরীর টুকরো করে নদীর পাড়ে ফেলে দিয়েছেন: পুলিশ
বিস্ফোটক ঘটনার প্রতিক্রিয়া
স ব ম ক হত য র – পুলিশ একটি ঘটনা স্বীকৃত করেছে যে শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় এক নারী তার স্বামী এবং সন্তানদের হত্যা করে তার শরীর ভাগ করে নদীর পাড়ে ও অন্য স্থানে ছুড়ে ফেলেছেন। ওই নারী জিয়া সরদারের স্ত্রী আসমা বেগম। তিনি লোহার রডের সাহায্যে তার স্বামীকে মারা দেন এবং পরে তার শরীর বিভিন্ন অংশে ভাগ করে প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে ঘরের মধ্যে লুকিয়ে রাখেন। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে যে স্ত্রী তিন দিন পর বিভিন্ন স্থানে দেহাংশগুলি ছুড়ে দিয়েছেন। এ ঘটনার প্রতিবেদন পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ আলম দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছে।
“মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসমা বেগম বিভিন্ন স্থানে হাত ও পা ফেলে দিয়েছেন। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছেন কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
ঘটনার পরিচয়
তদন্ত অনুযায়ী আসমা বেগম তার প্রথম স্বামী রাজ্জাক সরদার থেকে ছিলেন অল্প সময়ের মধ্যে বিয়ে করেছেন। তাঁর প্রথম স্বামীর সাথে তিনি এক ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে। আসমার বর্তমান স্বামী জিয়া সরদার ছিলেন মালয়েশিয়ায় বসবাস করছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার আসাদ তালুকদার নামের এক ব্যক্তির সাথে প্রথম বিয়ে করেন। পরে তাঁর প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দেন। কিছুকাল পর তিনি নতুন স্বামী আসমা বেগমের সাথে চন্দ্রপুর বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।
বর্তমান সংসারে সম্প্রতি পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। গত মঙ্গলবার (১২ মে) রাত ১টার দিকে তিনি তার স্বামী জিয়া সরদার হাতাহাতির ঘটনার শিকারি হন। এই হাতাহাতির পর আসমা বেগম লোহার রডের সাহায্যে জিয়াকে মারা দেন। তারপর তিনি শরীর থেকে হাত-পা আলাদা করে প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে ঘরের মধ্যে লুকিয়ে রাখেন। দুই দিন পর বৃহস্পতিবার নড়িয়া উপজেলার পদ্মার পাড়ে দুটি হাত ও দুটি পা ফেলে দেন।
আবিষ্কার এবং অভিযোগ
তিন দিন পর শুক্রবার বিকেলে আসমা বেগম আটং বৃক্ষতলা এলাকায় মাথাসহ শরীরের একটি অংশ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন। স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্গন্ধের কারণে তাঁর ঘরে দেহাংশ রাখার অস্বাভাবিকতা অনুভব করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর স্বীকৃতি প্রাপ্ত করেন। তাঁর বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে দেহাংশ উদ্ধার করে।
অভিযুক্ত আসমা বেগম পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার জুপিয়া গ্রামে সোলেমান শেখের মেয়ে। তিনি জিয়া সরদারের সাথে গোপনে বিয়ে করেন যেটি মোব
