স্কটল্যান্ডের কোচ ব্রাজিলের হারে বিশ্লেষণ করছেন
ব র জ ল র ক ছ – ব্রাজিলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি স্কটল্যান্ড। এই ম্যাচটি ছিল তাদের টুর্নামেন্টে প্রবেশ করার চূড়ান্ত লড়াই, কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া না পেয়ে বিন্দুমাত্র প্রতিরোধ করতে পারেনি দলটি। বাংলাদেশ সময় আজ ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্কটল্যান্ড ব্রাজিলের কাছে ৩-০ গোলে হেরে গেছে। ব্রাজিল তিনটি গোল করেছে স্কটল্যান্ডের রক্ষণ ভুলে।
গোলের মুহূর্ত
৭ মিনিটে স্কট ম্যাককেনার পাসের ভুল ব্যবহার করে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র গোল করেন। ২২ মিনিটে ভিনির আরেকটি গোল বাতিল হয়েছে, কিন্তু দ্বিতীয় গোলটি সামালো করেছেন তিনি। ব্রুনো গিমারেসের রক্ষণচেড়া পাস বক্সের কাছ থেকে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন ভিনি। তার জোড়া গোলের পর কুনিয়ার পা থেকে আসে দলের তৃতীয় গোল।
“প্রথমেই আমাদের এই ম্যাচের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করতে হবে এবং বুঝতে হবে কেন আমরা এভাবে ম্যাচটি হেরেছি। বাকিটা নিয়ে এরপর চিন্তা করা যাবে।”
ম্যাচ শেষে ক্লার্ক তার শিষ্যদের পারফরম্যান্সের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “এটা ছিল হতাশাজনক এক পারফরম্যান্স। ফল অনেক খারাপ হয়েছে। যদি আপনি ব্রাজিলের মতো দলকে সুযোগ করে দেন, তাহলে ভুগতে হবে।”
ব্রাজিল যেভাবে খেলছিল, তাতে স্কটল্যান্ড আরও বড় ব্যবধানে হারতে পারত। স্কটিশদের লক্ষ্য বরাবর ব্রাজিল নিয়েছে ৮ শট, যার মধ্যে তিনটি থেকে গোল আদায় করে নিতে পেরেছে সেলেসাওরা। কখনোবা ফিনিশিং দুর্বলতায়, কখনোবা ভিএআরের সিদ্ধান্তে গোল পায়নি ব্রাজিল। আর ব্রাজিলের লক্ষ্য বরাবর স্কটল্যান্ড ৫ শট নিয়েও গোল আদায় করতে পারেনি।
ব্রাজিলের রক্ষণ দুর্গ সামলেছে, স্কটল্যান্ড তা পারেনি। ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। হাইতিকে ১-০ গোলে হারানোর পর টানা দুই ম্যাচ হেরেছে স্কটল্যান্ড। তাতে করে গ্রুপের তৃতীয় সেরা দল হিসেবে শেষ বত্রিশে ওঠার সম্ভাবনাও অনেক কম। কারণ, তিন ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের তিনে থেকে শেষ করেছে স্কটল্যান্ড।
বিশ্বকাপের ইঙ্গিত
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার ভিনির গ্রুপপর্বের তিনটি ম্যাচে গোল করাও ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ের ইঙ্গিত। পঞ্চম ব্রাজিলিয়ান হিসেবে গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচেই গোলের কীর্তি গড়েছেন ভিনি। একের পর এক আসরে সোনালী ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল ব্রাজিল। যেমন ১৯৭০ বিশ্বকাপে জাইরজিনিও, ১৯৯৪ বিশ্বকাপে রোমারিও এবং ২০০২ বিশ্বকাপে রোনালদো ও রিভালদো গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচে টানা গোলের দেখা পেয়েছিলেন।
আগামীকাল জাপান-সুইডেন, তিউনিসিয়া-নেদারল্যান্ডস ম্যাচের পরই নির্ধারিত হবে শেষ বত্রিশে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ। একই সময় নবম বিশ্বকাপে এসেও নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা এখন নেই বললেই চলে।
