ভেনেজুয়েলায় দুই ভূমিকম্পের ক্ষতি বাড়ছে, প্রাণহানি এখনো অজানা
ভ ন জ য ল য ৩৯ – ভেনেজুয়েলায় দুই শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা ভয়াবহ ক্ষতি সৃষ্টি করেছে। প্রথম কম্পনের পর দ্বিতীয় ভূমিকম্প ছাড়া দুই মিনিট ব্যবধানে ঘটে। এই সময়ে এলাকার প্রান্তিক জনসমাগম সম্পূর্ণ আবর্জনায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। বিমানবন্দর ও ঘরবাড়ি সংক্রান্ত ক্ষতি প্রতিক্রমণ করা হচ্ছে অবিলম্বে।
ভূমিকম্পের তীব্রতা ও স্থান নির্ধারণ
ইউএসজিএস তাদের পূর্বাভাসে ঘটনার স্থান নির্ধারণ করেছে। প্রথম ভূমিকম্পটি মোরন থেকে ২১ কিলোমিটার পশ্চিমে ভূগর্ভে গভীরতা ২১.৯ কিলোমিটারে হানা হয়। এর পর তিন মিনিট ও চৌষট্টি সেকেন্ড পর দ্বিতীয় কম্পনটি ঘটে। তারপর আরও ২০টির বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার ভূগর্ভস্থ ভূমিকম্পের তীব্রতা প্রায় ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রায় পৌঁছেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সংস্থার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, স্থানীয় জনগণ সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েছে। বিশাল ভূমিধস ঘটার সাথে সাথে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আলো-আঁধারি তৈরি হয়েছে।
দুর্যোগের তীব্র প্রতিক্রিয়া
ভেনেজুয়েলায় প্রাথমিক ক্ষতি ঘটার পর মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ভবন থেকে বাইরে দৌড়ে পালাতে শুরু করে। সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জোড়া কম্পনে প্রায় এক হাজার যাত্রী বিপদে পড়েছে। বাতাসে সম্পূর্ণ ধুলোবালি তৈরি হয়েছে এবং রাস্তাঘাটে নীচে ভূমিধসের ধ্বংসাবশেষ দেখা গেছে।
ভেনেজুয়েলার প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিস্তারিত ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। অনুসন্ধান চালাচ্ছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। ভূমিকম্পের প্রতিক্রমণ করতে হাজার ছাড়িয়ে আবাসিক ভবনে ক্ষতি হয়েছে।
ভূমিকম্পের সার্বিক প্রভাব
ভেনেজুয়েলায় দুই ভূমিকম্পের কারণে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রভাবিত হয়েছে। ভূগর্ভস্থ কম্পনে ট্রান্সপোর্ট ও পরিবহন ব্যবস্থার ক্ষতি ঘটার সাথে সাথে সামাজিক সংগঠন ভেনেজুয়েলার জনগণের প্রতি মনোনিবেশ করেছে।
ভেনেজুয়েলার স্থানীয় বাসিন্দারা বর্তমানে জানিয়েছে যে কম্পনের সময় প্রায় সকল প্রান্তিক স্থানে প্রতিক্রিয়া বিপর্যয় হয়েছে। অনুসন্ধান চলছে ভূমিকম্পের প্রকৃত ক্ষতি ও হতাহত সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য। ভেনেজুয়েলার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ সামনে এলাকাগুলোতে আবাসন পুনঃনির্মাণ ও উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।
