মেসি ও মার্তা: বিশ্বকাপে রেকর্ড ভাঙার দুই সাহসী খেলোয়াড়
মার্তার প্রারম্ভিক জীবন
ব শ বক প য র র – মার্তা ভিয়েরা দা সিলভা ব্রাজিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অ্যালাগোয়াসে একটি ছোট শহর দোইস রিয়াচোসে জন্মগ্রহণ করেন। সেখানে সাক্ষরতার হার তলানি এবং শিশুমৃত্যুর হার আকাশচুম্বী ছিল। তাঁর বাবা পরিবার থেকে ছেড়ে চলে যান পরিবারের পরপরই জন্মের পর। মা তেরেজা ও বড় ভাই হোসে তাঁর একমাত্র আনন্দ হিসেবে ফুটবল খেলতে হয়।
১৪ বছর বয়সে তাঁর বাড়ি থেকে টানা দুই দিন বাসযাত্রা করে রিও ডি জেনিরোতে পৌঁছেন। সেখানে তিনি ভাস্কো দা গামা ক্লাবে যোগদান করেন। ক্লাবটি ২০০২ সালে নারী দল বন্ধ করে দেয়, কিন্তু মার্তাকে সেটি থামানো যায়নি।
মার্তা কিভাবে পুরুষ ফুটবল চ্যালেঞ্জ করলেন
১৬ বছর বয়সে মার্তা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপে ৬ গোল করেন। এই সময়ে তাঁর জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার সময় তিনি বাঁ পায়ের জাদুকর হিসেবে পরিচিত হন। ব্রাজিলের বিখ্যাত নারী ফুটবল কোচ হেলেনা পাচেকোর কাছে তিনি প্রথম নজরে পড়েন।
২০০৪ ও ২০০৮ সালে তাঁর পারফরম্যান্সের সুবাদে ব্রাজিল অলিম্পিকে রৌপ্যপদক অর্জন করে। এই সময় সুইডেনের উমেয়া আইকে দলের হয়ে ২০০৪-২০০৮ সাল পর্যন্ত ২১০টি গোল করেন। ২০০৫-এ সুইডিশ টেলিভিশন তাঁকে ‘মার্তা, পেলে’স কাজিন’ নামে তথ্যচিত্র তৈরি করে।
ইতিহাসের স্থান গড়ানো
২০০৭ সালে মার্তা চীনে বিশ্বকাপে খেলেন এবং টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। ২০১১ সালে তিনি ৪টি গোল করেন। সেই বছর তিনি প্যান আমেরিকান গেমসে দুবার সোনা জিতেন।
“শুরুতে কাঁদলে তবেই শেষে হাসতে পারবে, নারী ফুটবলকে মূল্যায়ন করো।”
২০২০ টোকিও অলিম্পিকে চীনের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা পাঁচটি অলিম্পিক গেমসে গোল করার রেকর্ড গড়েন। ২০২৪ সালে ফিফা তাঁর অনন্য ফুটবলীয় নান্দনিকতাকে স্�
