বাগেরহাটে সমাবেশে যাওয়ার পথে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, আহত ৬
ব গ রহ ট সম ব শ – বাগেরহাট থেকে ইজিবাইকযোগে খুলনায় গেলে সমাবেশে যাওয়ার পথে জামায়াতে ইসলামীর নেতা এবং কর্মীদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। এই ঘটনাটি শনিবার (২০ জুন) দুপুর সময় বারুইপাড়া ইউনিয়নের পারকুরশাইল এলাকায় ঘটেছে। ঘটনার পর কমপক্ষে ছয় ব্যক্তি আহত হয়েছেন, যাদের পরিচয় এখনও স্পষ্ট নয়। বাগেরহাট সমাবেশে যাওয়ার পথে হামলার ঘটনার প্রতি বিশেষ আগ্রহ নিয়ে খুলনা এলাকার মানুষ কী বলছেন, তা খুব শীঘ্রই জানা যাবে।
আহতদের সাথে পরিচয়
হামলার শিকার হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি ইস্রাফিল মোল্লা ও কর্মীদের মধ্যে সাইফুল কাজী, ফেরদৌস শেখ, বাদশা চৌধুরী এবং সামাদ মোল্লা নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে সাইফুল কাজী ও ফেরদৌস শেখ স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা প্রাপ্ত হন। বাগেরহাটে সমাবেশে যাওয়ার পথে হামলার ঘটনার পর আহতদের শীঘ্রই চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্থানীয় মানুষ জানান যে আহতদের গুরুত্বপূর্ণ আহতি বা মৃত্যুর খবর এখনও পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি।
হামলার প্রকৃতি ও স্থান
বাগেরহাট থেকে খুলনায় গেলে সমাবেশে যাওয়ার পথে ঘটে এই হামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। বারুইপাড়া ইউনিয়নের পারকুরশাইল এলাকার উপর হামলা করা হয়েছে, যেখানে জামায়াতের নেতাদের প্রতি সামাজিক এবং রাজনৈতিক বিষয়টি আরও গুরুতর হতে পারে। হামলার ঘটনার পর বাগেরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামসুল আরেফিন জানান যে এখনও কোনো অভিযোগ প্রাপ্ত হয়নি। তিনি জামায়াতের সদস্যদের বরাবর নিয়মিত পথে সমাবেশে যাওয়ার জন্য সাধারণত কোনো প্রতিরোধ ছিল না।
বাগেরহাট থেকে ইজিবাইকযোগে খুলনায় গেলে সমাবেশে যাওয়ার পথে হামলার ঘটনার কথা বলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “বাগেরহাটে সমাবেশে যাওয়ার পথে এ হামলা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া আনে। ঘটনার কারণ খুব শীঘ্রই খুলে আসবে।”
আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা
হামলার পর আহতদের চিকিৎসার জন্য বাগেরহাট থানা ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রবেশ করানো হয়েছে। স্থানীয় মানুষ জানান যে হামলার কারণ বিশেষ আগ্রহের সাথে অনুসন্ধান চলছে। বাগেরহাটে সমাবেশে যাওয়ার পথে এ হামলার ঘটনার প্রতি জনগণের সমালোচনার আগুন জ্বলছে। সাইফুল কাজী ও ফেরদৌস শেখ গুরুতর আহতির কারণে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রবেশ করেছেন।
বাগেরহাট সমাবেশে যাওয়ার পথে এ হামলার ঘটনার প্রতি আন্তরিক আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। বাগেরহাট থানার কর্মকর্তা মো. শামসুল আরেফিন জানান যে এখনও কোনো অভিযোগ প্রাপ্ত হয়নি। তিনি বলেন, বাগেরহাট সমাবেশে যাওয়ার
