পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের আরও জোরালো পদক্ষেপের দরকার
র হ ঙ গ প রত য – বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের মামলায় জাতিসংঘকে আরও জোরালো পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ‘ইকোসক হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স সেগমেন্ট’ প্যানেল আলোচনায় আরও জোরালো ভূমিকা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের মামলা বিশ্বের মানবিক আইন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সামনে স্থায়ী সমাধান খুঁজতে জাতিসংঘের সম্পূর্ণ সম্মতি ও অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় সহযোগিতা অপরিহার্য। তিনি জাতিসংঘের সদরদপ্তরকে সম্প্রদায়গুলোর নিরাপত্তা ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বৃদ্ধির জন্য সম্পূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। এই প্রক্রিয়ার উন্নয়ন বিশ্ব জুড়ে রোহিঙ্গা নাগরিকদের সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সংরক্ষণের সাথে গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্ব সম্প্রদায়ের ভূমিকা নিশ্চিত করা প্রয়োজন
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সম্পূর্ণ সমাধানে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় বিশ্ব সম্প্রদায় অংশগ্রহণ করলে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান খুব দ্রুত সম্ভব হবে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সম্মতি না পেলে এই প্রক্রিয়া কেবল ভূমিকা হিসেবে চলবে। স্থায়ী সমাধানের জন্য তিনি জাতিসংঘের সামনে একটি আহ্বান তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মূল কথা হলো নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রক্রিয়া বিস্তার দরকার
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মাধ্যমে সংকটের স্থায়ী সমাধান খুব দ্রুত সম্ভব। তিনি এই প্রক্রিয়া বিস্তার ও জাতিসংঘের আঁচ খুঁজতে আহ্বান জানান। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জোরালো সহযোগিতার আহ্বান জানান।
আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা বিশ্ব জুড়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে টেকসই ও নিরাপদ করতে সাহায্য করে। প্রতিমন্ত্রী এই বিষয়ে আলোচনায় তুলে ধরেন যে জাতিসংঘের আরও জোরালো পদক্ষেপ বিশ্ব সম্প্রদায়ের আন্তর্জাতিক সম্মতি �
